Bartaman Logo
২৭ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের রোগীর চাপ কমাতে তিনবাত্তিতে হবে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস: শংকর

চিকিৎসা পরিষেবার মান উন্নত হওয়ায় শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে দিনে দু’হাজারেরও বেশি রোগী চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসেন।

শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের রোগীর চাপ কমাতে তিনবাত্তিতে হবে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস: শংকর
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: চিকিৎসা পরিষেবার মান উন্নত হওয়ায় শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালে প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। বর্তমানে দিনে দু’হাজারেরও বেশি রোগী চিকিৎসা পরিষেবা নিতে আসেন। রোগীদের আরও উন্নত পরিষেবা দিতে হাসপাতালের পরিকাঠামো ধাপে ধাপে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সুপার স্পেশালিটির ধাঁচে হাসপাতালের আলাদা ক্যাম্পাস তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠকের পর এমনটাই জানালেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী তথা শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। বলেন, পরিকাঠামো ও পরিষেবার উন্নতি ঘটানোর উদ্যোগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালকে রাজ্যের প্রথম পেপারলেস হাসপাতাল হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ চলছে। সামগ্রিক উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য সুপার চন্দন ঘোষকে কৃতিত্ব দেন তিনি।

Advertisement

উল্লেখ্য, হাসপাতালে ডায়ালিসিস পরিষেবার পরিধি বাড়তে চলেছে। বর্তমানে পাঁচটি বেড রয়েছে, তা বাড়িয়ে দশটি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফলে কিডনি রোগীদের চিকিৎসায় চাপ কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক বিভাগকে সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত করা হয়েছে। 
মন্ত্রীর দাবি, পরিষেবা উন্নত হওয়ায় শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল থেকে অন্যত্র রোগী রেফারের হারও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। বর্তমানে তা প্রায় আট শতাংশে নেমে এসেছে। আগামীদিনে এই হার পাঁচ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে এখানে চিকিৎসা পরিষেবার মান আরও উন্নত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিলিগুড়ি  হাসপাতালের পরিকাঠামো সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড়ো সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে জায়গার অভাব। সেই কারণে হাসপাতাল চত্বরের জমি নিয়ে পূর্তদপ্তরকে মাস্টার প্ল্যান তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে হাসপাতালের কর্মী আবাসন অন্যত্র সরিয়ে জায়গা বের করার সিদ্ধান্ত হয়েছে এদিনের বৈঠকে।
মন্ত্রী বলেন, এছাড়া শহরের উপকণ্ঠে তিনবাত্তি মোড়ে হাসপাতালের পৃথক ক্যাম্পাস তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। জমিও চিহ্নিত হয়েছে। পার্কিং ব্যবস্থা উন্নত করা এবং রোগী ও পরিজনদের জন্য আরও সুযোগ-সুবিধা তৈরির বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
একইসঙ্গে পুরসভার স্বাস্থ্যকেন্দ্র মাতৃসদনের সংস্কার ও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। সেই মতো মাতৃসদনের বিপরীতে ফাঁকা জমিতে ৩০ বেডের পৃথক ওয়ার্ড তৈরির কথাও ভাবা হয়েছে। মাতৃসদনে পরিষেবা বাড়ানো গেলে শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতালের উপর রোগীর চাপ কিছুটা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ