Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

সাধারণতন্ত্র দিবসেই দিল্লির সঙ্গে রেলপথে জুড়বে ‘ভূস্বর্গ’ কাশ্মীর

সাধারণতন্ত্র দিবসেই দিল্লির সঙ্গে রেলপথে জুড়বে ‘ভূস্বর্গ’ কাশ্মীর
  • ২৩ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
ফিরদৌস হাসান, শ্রীনগর: রাজধানী দিল্লি থেকে কাশ্মীর উপত্যকা—সরাসরি ট্রেন চলাচল শুরু হচ্ছে আগামী বছরের শুরুতেই। কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। রেল মানচিত্রে জুড়বে নয়াদিল্লি-বারামুলা। আগামী ২৬ জানুয়ারি, সাধারণতন্ত্র দিবসেই সেই রেলপথের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার এমনটাই জানিয়েছেন রেল আধিকারিকরা। তাঁদের দাবি, উধমপুর-শ্রীনগর-বারামুলা রেল লিঙ্ক (ইউএসবিআরএল) প্রকল্পের যেটুকু কাজ বাকি রয়েছে, তা চলতি বছরের ডিসেম্বরেই শেষ হয়ে যাবে। সাঙ্গালদান ও রিয়াসির মধ্যে রেললাইন পাতার কাজ সম্পূর্ণ। রেলের ডিরেক্টর অব সেফটি ইতিমধ্যেই ওই অংশ পরীক্ষা করেছেন। রিয়াসি থেকে কাটরা পর্যন্ত লাইনে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। তা শেষ হয়ে গেলেই উপত্যকার সঙ্গে দেশের রাজধানীর রেলপথে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপিত হবে। রেল আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে সাঙ্গালদান থেকে রিয়াসি পর্যন্ত ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে আপাতত সাঙ্গালদান থেকে কাটরা পর্যন্ত ৬৩ কিমি পথে ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রিয়াসি থেকে কাটরার মধ্যে পাঁচটি স্টেশনের কাজও জোরকদমে চলছে।
Advertisement
ইউএসবিআরএল প্রকল্পে মোট ১১৯ কিমি রেলপথ তৈরি হচ্ছে। এই পথে ৩৮টি টানেল থাকবে। তার মধ্যে একটির দৈর্ঘ্য ১২ কিমিরও বেশি, যা সারা দেশে দীর্ঘতম পরিবহণ টানেল। এছাড়া এই রেলপথে ৯২৭টি সেতুও রয়েছে। তার মধ্যে একটি বিশ্বের উচ্চতম রেলসেতু চেনাব ব্রিজ। ২০০৯ সালে প্রথম জম্মু ও কাশ্মীরে রেল চলাচল শুরু হয়। সেই সময় বারামুলা থেকে কাজিগুন্দ পর্যন্ত ট্রেন চলত। এরপর ২০১৩ সালে কাজিগুন্দ থেকে বানিহাল, ২০১৪ সালে উধমপুর থেকে কাটরা রেলপথ চালু হয়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বানিহাল থেকে সাঙ্গালদান পর্যন্ত রেলপথের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। রেলমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী রভনীত সিং বিট্টু সম্প্রতি গোটা প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখেছেন। তাঁর দাবি, জানুয়ারি মাসে রেলপথ তৈরির কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশাবাদী রেল। এই প্রকল্প চালু হলে পুরো এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র বদলে যাবে।  ফাইল চিত্র
সম্পর্কিত সংবাদ