নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: পাশেই বাংলাদেশ। অচলাবস্থায় বিধ্বস্ত পদ্মাপারে ঘাঁটি গাড়ছে জঙ্গিরা। ভারত বিরোধিতার এপিসেন্টার হয়ে ওঠা ওপার বাংলায় বাড়ছে জঙ্গি শিবির, প্রশিক্ষণ শিবির। সেটার মদত আসছে সরাসরি পাকিস্তান থেকে। স্বাভাবিকভাবেই গোয়েন্দাদের কাছে সেটা উদ্বেগজনক। বাংলাদেশের ঠিক পার্শ্ববর্তী ভারতের অংশ হচ্ছে নদীয়া জেলা। কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার বহু থানা বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে নেয়। প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন নাশকতার আশঙ্কায় ঘুম উড়েছে পুলিস আধিকারিকদের। তার জেরে প্রতি থানায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। এলাকায় বিশেষ নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে সীমান্তের থানাগুলিকে। বাড়ানো হয়েছে টহলদারি, যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুলিস জলের এসপি অমরনাথ কে বলেন, ‘প্রতিটি থানাকেই অ্যালার্ট করা হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তের থানাগুলিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। নাকা চেকিং বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন হোটেলেও কড়া নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে।’
আজ সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনে মাতবে গোটা জেলা। নতুন বছরে সংবিধান রক্ষার শপথ নেবেন দেশবাসী। সেই উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন নদীয়ার বাসিন্দারাও। কিন্তু তার আগে বাংলাদেশের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে পুলিস কর্তারা। পুলিসের দাবি, সাধারণতন্ত্র দিবস দেশবাসীর কাছে বড় একটা দিন। তাই সেই দিনে আশঙ্কা থাকছেই। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনওরকম খামতি রাখতে চাইছে না পুলিস। বিগত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন থানা এলাকায় নাকা চেকিং বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানা এলাকায় যে সমস্ত হোটেল রয়েছে সেখানেও নজরদারি চালানো হচ্ছে পুলিসের তরফ থেকে। কারণ অতীতে দেখা গিয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে আসা জঙ্গিরা সাময়িকভাবে ঘাঁটি গেড়ে থাকে বিভিন্ন হোটেলে। তাই সম্প্রতি হোটেলগুলিতে কারা আসছে এবং কারা যাচ্ছে, তার ওপর নজরদারি রাখা হয়েছে।
সেই সঙ্গে সীমান্ত থানা এলাকায় বিএসএফকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিস। কারণ কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার কৃষ্ণগঞ্জ, ভীমপুর, চাপড়া, তেহট্ট, মুরুটিয়া, হোগলবেরিয়া থানাগুলো সীমান্ত লাগোয়া। এছাড়াও রানাঘাট পুলিস জেলার হাঁসখালি ও ধানতলা থাকা এলাকাতেও কাঁটাতার রয়েছে। নিত্যদিন পাচারকারী ও অনুপ্রবেশকারীদের উৎপাত দেখা যায় সেখানে। গত শুক্রবার দুপুরের দিকে কৃষ্ণগঞ্জ থানার প্রত্যন্ত এলাকা রীতিমতো বাঙ্কারের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রাখা ছিল ৬২ হাজার ফেনসিডিলের বোতল। স্বাভাবিকভাবেই তা বাংলাদেশে পাচার করার জন্য সেই বাঙ্কারে মজুত করা হয়েছিল বলে পুলিস ও বিএসএফের দাবি। তাই সাধারণতন্ত্র দিবসের দিনেও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা। সেই কারণে সীমান্ত জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে।
আজ সাধারণতন্ত্র দিবস উদযাপনে মাতবে গোটা জেলা। নতুন বছরে সংবিধান রক্ষার শপথ নেবেন দেশবাসী। সেই উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন নদীয়ার বাসিন্দারাও। কিন্তু তার আগে বাংলাদেশের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে পুলিস কর্তারা। পুলিসের দাবি, সাধারণতন্ত্র দিবস দেশবাসীর কাছে বড় একটা দিন। তাই সেই দিনে আশঙ্কা থাকছেই। তাই নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনওরকম খামতি রাখতে চাইছে না পুলিস। বিগত কয়েকদিন ধরেই বিভিন্ন থানা এলাকায় নাকা চেকিং বাড়ানো হয়েছে। সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই তল্লাশি করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিভিন্ন থানা এলাকায় যে সমস্ত হোটেল রয়েছে সেখানেও নজরদারি চালানো হচ্ছে পুলিসের তরফ থেকে। কারণ অতীতে দেখা গিয়েছে, সীমান্ত পেরিয়ে আসা জঙ্গিরা সাময়িকভাবে ঘাঁটি গেড়ে থাকে বিভিন্ন হোটেলে। তাই সম্প্রতি হোটেলগুলিতে কারা আসছে এবং কারা যাচ্ছে, তার ওপর নজরদারি রাখা হয়েছে।
সেই সঙ্গে সীমান্ত থানা এলাকায় বিএসএফকে সঙ্গে নিয়ে টহল দিচ্ছে পুলিস। কারণ কৃষ্ণনগর পুলিস জেলার কৃষ্ণগঞ্জ, ভীমপুর, চাপড়া, তেহট্ট, মুরুটিয়া, হোগলবেরিয়া থানাগুলো সীমান্ত লাগোয়া। এছাড়াও রানাঘাট পুলিস জেলার হাঁসখালি ও ধানতলা থাকা এলাকাতেও কাঁটাতার রয়েছে। নিত্যদিন পাচারকারী ও অনুপ্রবেশকারীদের উৎপাত দেখা যায় সেখানে। গত শুক্রবার দুপুরের দিকে কৃষ্ণগঞ্জ থানার প্রত্যন্ত এলাকা রীতিমতো বাঙ্কারের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে রাখা ছিল ৬২ হাজার ফেনসিডিলের বোতল। স্বাভাবিকভাবেই তা বাংলাদেশে পাচার করার জন্য সেই বাঙ্কারে মজুত করা হয়েছিল বলে পুলিস ও বিএসএফের দাবি। তাই সাধারণতন্ত্র দিবসের দিনেও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না গোয়েন্দারা। সেই কারণে সীমান্ত জেলায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে।



