সংবাদদাতা, রানাঘাট: স্কুল চত্বরজুড়ে ঝোপজঙ্গল আর আগাছা। দীর্ঘদিন ধরে জঞ্জাল পরিষ্কার না হওয়ায় সাপ এবং পোকামাকড়ের উপদ্রব। যে কোনো সময়ে বিষাক্ত পোকামাকড় কিংবা সাপ শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়তে পারে। বাচ্চাদের স্কুলে পাঠিয়ে আশঙ্কায় ভোগেন অভিভাবকরা। এই হাল শান্তিপুর ঢাকাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, স্কুলের এই অবস্থা এবং পরিকাঠামগত উন্নয়নের জন্য এলাকাবাসী ‘আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান’ প্রকল্পে দাবি জানিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে স্কুলের পেছনের অংশের প্লাস্টার না হওয়ায় এবং আগাছায় ছেয়ে যাওয়ায় স্কুলটি বিপদজনক হয়ে উঠেছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী স্থানীয় কাউন্সিলারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এদিন। তবে তাঁর দেখা মেলেনি বলে জানান এলাকাবাসী।
এই বিষয়ে স্কুলের টিচার ইন চার্জ গোপাল বাগচী বলেন, ‘কিছুদিন আগে জঙ্গল পরিষ্কার করা হয়েছিল। আমি কাউন্সিলারকে এবং এলাকার লোকজনকে বলেছি যে, জঙ্গল পরিষ্কারের জন্য একটা লোক দেখে দেওয়ার কথা। এক অভিভাবককেও জানানো হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, মঙ্গলবার দিন লোক পাঠাবেন। স্কুলের পেছনের জায়গাটি তো আমাদের স্কুলের নয়। স্কুল পার্শ্ববর্তী একটি বাড়ির, সেই বাড়ির লোকের সঙ্গে কথা বলেছি জঙ্গল পরিষ্কারের ব্যাপারে।’
ঘটনার খবর পেয়ে পরবর্তীতে এলাকায় পৌঁছান স্থানীয় বিজেপি নেত্রী পলাশী মণ্ডল। তিনি অভিভাবক, এলাকাবাসী এবং স্কুলের শিক্ষকদের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝতে পেরে তিনি অবিলম্বে বনজঙ্গল পরিষ্কারের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি জানান, ‘ইতিমধ্যেই পুরসভার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে এবং বিকেলের মধ্যেই স্কুল চত্বর পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে দেওয়া ব্যবস্থা করা হবে।’
ওই এলাকারই দু’ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার পুষ্প দাসের স্বামী সত্যনারায়ণ দাস জানান, ‘আগের সরকার থাকতে আমাদের পাড়া আমাদের সমাধানে যে কাজগুলো সম্পূর্ণ করতে পারিনি, নতুন সরকার আসার পর সে কাজগুলো টাকার কারণে আটকে রয়েছে।’ -নিজস্ব চিত্র