Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাসুদেবপুরে চার বছর ধরে ক্লাবঘরে চলছে স্কুল, সমস্যা সমাধানের আশ্বাস বিধায়কের

এক সময়ে স্কুলে ঘণ্টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে ক্লাস শুরু হতো। পড়ুয়াদের কোলাহলে ভরে উঠত গোটা এলাকা

বাসুদেবপুরে চার বছর ধরে ক্লাবঘরে চলছে স্কুল, সমস্যা সমাধানের আশ্বাস বিধায়কের
  • ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: এক সময়ে স্কুলে ঘণ্টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে ক্লাস শুরু হতো। পড়ুয়াদের কোলাহলে ভরে উঠত গোটা এলাকা। যদিও এখন তা অতীত। স্কুলে পড়ুয়ারা আসে না। ক্লাসও হয় না। নিস্তব্ধতা গ্রাস করেছে গোটা স্কুলকে। বর্তমানে স্কুল বসছে স্থানীয় একটি ক্লাবঘরে। সেখানেই কোনোরকমে গত চার বছর ধরে ক্লাস চলছে।  শ্যামপুর ১ ব্লকের বেলাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব বাসুদেবপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এখন এই অবস্থা। এবার স্কুলের এই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হলেন শ্যামপুরের বিধায়ক হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায়। রবিবার বিধায়ক এলাকা পরিদর্শন করেন। পাশাপাশি অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।

Advertisement

২০২২ সালের এপ্রিল মাসে এই এলাকা হুগলি নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে। প্রায় ৩০০ মিটার নদীবাঁধ সহ রাস্তা নদীগর্ভে চলে যায়। স্কুলের দেওয়ালে ফাটল দেখা দেয়। নদীভাঙন স্কুলের কাছাকাছি চলে যাওয়ায় পড়ুয়াদের  নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুল বন্ধ রখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। তারপর থেকেই স্থানীয় যুবশক্তি সমিতির ক্লাব ঘরে অস্থায়ীভাবে স্কুল চলছে। একটি ঘরে শিশু শ্রেণি থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ৬৫ জন পড়ুয়ার পড়াশোনা চলছে। তিনজন শিক্ষক, শিক্ষিকা একসঙ্গে ক্লাস নিচ্ছেন। এভাবে শুধু পড়াশোনার অসুবিধা নয়, পাশাপাশি মিড ডে মিল রান্নার ক্ষেত্রেও সমস্যা হচ্ছে। ক্লাবের বাইরে খোলা আকাশের নীচে ত্রিপল টাঙিয়ে রান্না করতে হচ্ছে।
স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বক্তব্য, নতুন ভবন নির্মাণের জন্য একাধিকবার প্রশাসনের পক্ষ স্কুলে পরিদর্শন করা হয়েছে। কিন্তু এখনও সমস্যার কোনো সুরাহা হয়নি। অভিভাবকদের বক্তব্য, শুধু বাসুদেবপুর নয়, আশপাশের গ্রামের শিশুরাও এই স্কুলে পড়াশোনা করে। দীর্ঘদিন ধরে ক্লাবঘরে তাঁদের পড়াশোনা করতে সমস্যা হচ্ছে। শ্যামপুরের বিধায়ক হিরণ্ময় চট্টোপাধ্যায় বলেন, চার বছর ধরে একটা ক্লাবঘরে শিশুরা পড়াশোনা করছে– এটা চলতে পারে না। আমি শ্যামপুর ১ ব্লকের বিডিওকে বিষয়টি দেখতে বলেছি। বিকল্প কোনো জায়গায় ক্লাস করানোর ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করতে বলেছি, যেখানে শিশুরা স্বাচ্ছন্দে পড়াশোনা করতে 
পারে।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ