নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গওহরজান। বাংলা তথা ভারতীয় সংস্কৃতির ইতিহাস চর্চায় অন্যতম উজ্জ্বল নাম। কিংবদন্তী এই শিল্পীকে এশিয়ার প্রথম সুপারস্টার বললেও অত্যুক্তি হয় না। ধ্রুপদী নাচ ও গানের এই শিল্পী যখন ‘পারফর্ম’ করতেন, তখন তাঁর কাছাকাছি থাকত একটি ছোট্ট টেবিল। তার একটি ড্রয়ারে রাখা থাকত ছোরা। জনপ্রিয়তার সুযোগ নিয়ে কোনও আক্রমণের আশঙ্কায় তিনি আত্মরক্ষার তাগিদে সেই ছোরা সঙ্গে রাখতেন। ছোরাটির খোঁজ নেই ঠিকই। তবে ড্রয়ারওয়ালা টেবিলটি এখনও আছে। প্রতিবছর সাবর্ণ রায় চৌধুরী পরিবার পরিষদের উদ্যোগে যে কলকাতা আন্তর্জাতিক ইতিহাস উৎসবের আয়োজন করা হয়, সেখানেই এবার সামনে আসছে গওহরজানের সেই টেবিল। আগামী ৯ থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি বড়িশায় সাবর্ণদের ‘বড়বাড়ি’তে অনুষ্ঠিত হবে ১৯তম ইতিহাস উৎসব।
Advertisement
পরিষদের সম্পাদক দেবর্ষি রায় চৌধুরী বলেন, শোনা যায় গওহরজান জলসা পিছু তিন হাজার টাকা পারিশ্রমিক নিতেন। তাঁকে অনুষ্ঠানে নিয়ে যেতে হলে একটা আস্ত ট্রেন ভাড়া করতে হতো। এহেন শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এগিয়ে এসেছিল একাধিক দেশও। সেই সময় বিনোদন দুনিয়ার তারকাদের ছবি দিয়ে তৈরি হতো দেশলাই বাক্স। সুইডেন, চেকোশ্লোভাকিয়া, বেলজিয়াম, অস্ট্রিয়ার মতো দেশ গওহরজানের ছবি দেওয়া দেশলাই বাক্স এনেছিল। আমরা এবারের ইতিহাস উৎসবে তুলে ধরছি সেইসব বাক্স। সঙ্গে থাকবে ১৮৯০ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত সময়ে দেশলাই বাক্সের প্রদর্শনী, যেখানে আছে তারকাদের ছবি। সেসব দেশলাই আমদানি করত টাটা সন্স, অ্যান্ড্রু ইউল, এমও পুনাওয়ালার মতো সংস্থা।
এবারের প্রদর্শনীতে মূল আকর্ষণ অতি প্রাচীনকালের গয়না। খ্রিস্টপূর্ব চার হাজার বছর আগের হরপ্পার শাঁখের গয়না থেকে শুরু করে নর্মদা সভ্যতার টেরাকোটার গয়না, ওড়িশার কুনুয়ার ‘লস্ট ওয়াক্স’ প্রসেসে তৈরি চুড়ি, চন্দ্রকেতুগড়ের চুলের পিন, গুজরাতের দু’হাজার বছরের পুরনো রত্নালঙ্কার, কৃষ্ণা অববাহিকায় তৈরি হওয়া সভ্যতার গয়না, দেড় থেকে দু’হাজার বছরের পুরনো ঝিনুক, মাছের কাঁটা, ইয়াকের হাড়, উটের হাড়ের গয়না থাকবে প্রদর্শনীতে। থাকবে হায়দরাবাদের নবাবের গয়নাও। ইশিতা বসু রায়, ডাঃ দেবাশিস মণ্ডল এবং প্রফেসর রঞ্জন রায়ের তরফে এগুলি সংগ্রহ করা হয়েছে।
এবার থাকছে প্রাচীন দোয়াত, কালী ও কলম, থাকছে বেশ কিছু সোনার পেন। সংগ্রহে তাপসকুমার বসু। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও চুনী গোস্বামীকে নিয়ে থাকছে বিশেষ প্রদর্শনী, যেখানে সাহায্য করেছেন সৌভিক রায়, দীপা অ্যান্ড সৌমিত্র চ্যাটার্জি ফাউন্ডেশন, তপন সিনহা ফাউন্ডেশন ও বাসন্তী গোস্বামী। এবারের উৎসবের থিম কান্ট্রি জার্মানি। তাই সেই দেশ এবং হিটলারের সঙ্গে ভারতীয় সম্পর্ক তুলে ধরা হবে এখানে। কলকাতার সংস্কৃতি চর্চার পীঠস্থান ‘নন্দন’এর বয়স ৪০ বছর। সেখানকার প্রথম টিকিট থেকে শুরু করে হরেক নথি থাকবে প্রান্তিককুমার সান্যালের সৌজন্যে।
এবারের প্রদর্শনীতে মূল আকর্ষণ অতি প্রাচীনকালের গয়না। খ্রিস্টপূর্ব চার হাজার বছর আগের হরপ্পার শাঁখের গয়না থেকে শুরু করে নর্মদা সভ্যতার টেরাকোটার গয়না, ওড়িশার কুনুয়ার ‘লস্ট ওয়াক্স’ প্রসেসে তৈরি চুড়ি, চন্দ্রকেতুগড়ের চুলের পিন, গুজরাতের দু’হাজার বছরের পুরনো রত্নালঙ্কার, কৃষ্ণা অববাহিকায় তৈরি হওয়া সভ্যতার গয়না, দেড় থেকে দু’হাজার বছরের পুরনো ঝিনুক, মাছের কাঁটা, ইয়াকের হাড়, উটের হাড়ের গয়না থাকবে প্রদর্শনীতে। থাকবে হায়দরাবাদের নবাবের গয়নাও। ইশিতা বসু রায়, ডাঃ দেবাশিস মণ্ডল এবং প্রফেসর রঞ্জন রায়ের তরফে এগুলি সংগ্রহ করা হয়েছে।
এবার থাকছে প্রাচীন দোয়াত, কালী ও কলম, থাকছে বেশ কিছু সোনার পেন। সংগ্রহে তাপসকুমার বসু। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও চুনী গোস্বামীকে নিয়ে থাকছে বিশেষ প্রদর্শনী, যেখানে সাহায্য করেছেন সৌভিক রায়, দীপা অ্যান্ড সৌমিত্র চ্যাটার্জি ফাউন্ডেশন, তপন সিনহা ফাউন্ডেশন ও বাসন্তী গোস্বামী। এবারের উৎসবের থিম কান্ট্রি জার্মানি। তাই সেই দেশ এবং হিটলারের সঙ্গে ভারতীয় সম্পর্ক তুলে ধরা হবে এখানে। কলকাতার সংস্কৃতি চর্চার পীঠস্থান ‘নন্দন’এর বয়স ৪০ বছর। সেখানকার প্রথম টিকিট থেকে শুরু করে হরেক নথি থাকবে প্রান্তিককুমার সান্যালের সৌজন্যে।



