সংবাদদাতা, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর ও খড়্গপুর পাশাপাশি দুই শহরে দুঃস্থ বাসিন্দাদের বাড়ি তৈরির কাজে আর কোনও বাধা রইল না। থমকে থাকা কাজ দ্রুত শুরু শেষ করার জন্য এই দুই পুরসভা ৫কোটি ২৭ লক্ষ টাকা পেল। এর মধ্যে মেদিনীপুর চার কোটি ও খড়্গপুর-১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা পেল।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শনিবার পুরসভায় এই টাকা এসেছে। যেসব বাড়ি তৈরির কাজ মাঝপথে বন্ধ হয়ে আছে এই টাকায় সেই সব বাড়ি নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে। দু’টি পুরসভা মিলে এরকম বাড়ির সংখ্যা প্রায় ২৮০০। প্রসঙ্গত, এই বাড়িগুলি তৈরি করতে খরচ হয় ৩ লক্ষ ৬৮ হাজার টাকা। এরমধ্যে উপভোক্তাকে দিতে হয় ২৫হাজার টাকা। রাজ্য সরকার দু’লক্ষ ও কেন্দ্রীয় সরকার ১ লক্ষ ৪৮হাজার টাকা দেয়। উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে তিন দফায় এই টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এক একটি দফায় কাজ শেষ হলে পরবর্তী পর্যায়ের টাকা দেওয়া হয়।
মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, আমরা রাজ্য পুর উন্নয়ন নিগমের কাছ থেকে এই প্রকল্পে চার কোটি টাকা পেয়েছি। গত শনিবার এই টাকা এসেছে। প্রায় ২৫০০টি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। কোথাও বাড়ি লিনটেল পর্যন্ত হয়েছে। আবার কোথাও বাড়ি ছাদ ঢালাই বাকি আছে। অনেক জায়গায় বাড়ির ছাদ ঢালাই হয়ে গেলেও প্লাস্টার সহ অন্যান্য কাজ বাকি আছে। এই টাকা সেইসব কাজের জন্য বরাদ্দ করা হবে। আমরা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেব।
খড়্গপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, আমরা ১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা পেয়েছি। আমাদের প্রায় ২৮০টি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। যার যেমন কাজ হয়েছে সেইমতো পরবর্তী পর্যায়ের টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পুজোর আগে আমরা এক কোটি টাকা পেয়ে ছিলাম। দ্রুত কাজ শেষ করে ইউসি পাঠিয়ে দেওয়ায় নভেম্বর মাসে আমরা ফের দু’কোটি টাকা পাই। সেই কাজেরও ইউসি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমরা পুনরায় ১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা পেলাম। এই টাকায় আমরা বাড়িগুলি তৈরির কাজ শেষ করতে পারব। কিছু বাড়ির ভিত পর্যন্ত কাজ হয়েছে। সেইসব বাড়ির কাজ শেষ করতে আরও এক কোটি টাকা লাগবে।
মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, আমরা রাজ্য পুর উন্নয়ন নিগমের কাছ থেকে এই প্রকল্পে চার কোটি টাকা পেয়েছি। গত শনিবার এই টাকা এসেছে। প্রায় ২৫০০টি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। কোথাও বাড়ি লিনটেল পর্যন্ত হয়েছে। আবার কোথাও বাড়ি ছাদ ঢালাই বাকি আছে। অনেক জায়গায় বাড়ির ছাদ ঢালাই হয়ে গেলেও প্লাস্টার সহ অন্যান্য কাজ বাকি আছে। এই টাকা সেইসব কাজের জন্য বরাদ্দ করা হবে। আমরা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দেব।
খড়্গপুর পুরসভার চেয়ারপার্সন কল্যাণী ঘোষ বলেন, আমরা ১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা পেয়েছি। আমাদের প্রায় ২৮০টি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। যার যেমন কাজ হয়েছে সেইমতো পরবর্তী পর্যায়ের টাকা উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। পুজোর আগে আমরা এক কোটি টাকা পেয়ে ছিলাম। দ্রুত কাজ শেষ করে ইউসি পাঠিয়ে দেওয়ায় নভেম্বর মাসে আমরা ফের দু’কোটি টাকা পাই। সেই কাজেরও ইউসি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আমরা পুনরায় ১ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা পেলাম। এই টাকায় আমরা বাড়িগুলি তৈরির কাজ শেষ করতে পারব। কিছু বাড়ির ভিত পর্যন্ত কাজ হয়েছে। সেইসব বাড়ির কাজ শেষ করতে আরও এক কোটি টাকা লাগবে।



