নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সংসদে সদ্যসমাপ্ত শীতকালীন অধিবেশনে এক সাংসদ স্বল্প সঞ্চয় এজেন্টদের কমিশন সংক্রান্ত কিছু প্রশ্ন করেন। তার প্রেক্ষিতে অর্থমন্ত্রকের জবাবে রীতিমতো অবাক এজেন্টরা। এজেন্টদের অভিযোগ, কেন্দ্রের জবাবের সঙ্গে বাস্তবের কোনও মিল নেই; এমন জবাব মিথ্যাচারেরই নামান্তর।
Advertisement
রাজ্যসভার অধিবেশনে সাংসদ বিবেক কে টানখা অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, বর্তমানে স্মল সেভিংস স্কিমের আওতাভুক্ত সাত লক্ষ এজেন্ট কমিশন সংক্রান্ত যে সঙ্কটে আছেন, সেই বিষয়ে তিনি কি ওয়াকিবহাল? সরকার কি স্বল্প সঞ্চয়ের উপর কমিশন কমিয়েছে? যদি তা কমানো হয়ে থাকে, তাহলে এই বিষয়ে গত পাঁচবছরের তথ্য দেওয়া হোক। তৃতীয়ত, যে স্কিমগুলিতে কোনও কমিশন নেই, ডাক কর্মীদের তরফে সেগুলিও বিক্রি করার জন্য এজেন্টদের চাপ দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? চতুর্থত, স্বল্প সঞ্চয়ের অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে কি ‘এজেন্ট কোড’ দেওয়ার সুযোগ থাকে? এই সবক’টি প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরী লিখিতভাবে একটিই জবাব দিয়েছেন, ‘কোনওটিই সঠিক নয়।’
কেন্দ্রের এই জবাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এজেন্টরা। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্মল সেভিংস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাস বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ২০১১ সালে স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলি থেকে কমিশন কমিয়ে দেয় এবং বেশকিছু স্কিমে কমিশন প্রথা তুলে দেয়। সে-কথা অর্থমন্ত্রক সংসদে জানায়নি। দেড় বছর আগে, মোদি জমানায় চালু হয়েছে মহিলা সম্মান সেভিংস সার্টিফিকেট। ওই সঞ্চয় প্রকল্পে কোনও কমিশন সরকার দেয় না। সেকথাও তারা জানায়নি। তবে যে স্কিমগুলিতে কমিশন নেই, সেগুলি বিক্রি করার জন্য এজেন্টদের উপর চাপ দেওয়ার বিষয়টি একেবারে চেপে যাওয়ার ঘটনা সবচেয়ে বিস্ময়কর, বলছেন নির্মলবাবুরা।
তাঁদের কথায়, ডাকবিভাগ থেকে বৈঠকে ডাকা হচ্ছে এজেন্ট বা তাঁদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের। যেগুলিতে কমিশন নেই সেইসব প্রকল্প বিক্রি করার কথা বলা হচ্ছে সেখানেই! পোস্ট অফিসগুলি থেকেও এজেন্টদের উপর এই বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়। এগুলি নতুন নয়, বছরের পর বছর ধরেই তা চলে আসছে। এজেন্টমাত্রই এই বিষয়গুলি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তারপরও কেন্দ্র কীভাবে তা অস্বীকার করে গেল, সেই প্রশ্নই উঠছে।
কেন্দ্রের এই জবাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এজেন্টরা। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্মল সেভিংস এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নির্মল দাস বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার ২০১১ সালে স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পগুলি থেকে কমিশন কমিয়ে দেয় এবং বেশকিছু স্কিমে কমিশন প্রথা তুলে দেয়। সে-কথা অর্থমন্ত্রক সংসদে জানায়নি। দেড় বছর আগে, মোদি জমানায় চালু হয়েছে মহিলা সম্মান সেভিংস সার্টিফিকেট। ওই সঞ্চয় প্রকল্পে কোনও কমিশন সরকার দেয় না। সেকথাও তারা জানায়নি। তবে যে স্কিমগুলিতে কমিশন নেই, সেগুলি বিক্রি করার জন্য এজেন্টদের উপর চাপ দেওয়ার বিষয়টি একেবারে চেপে যাওয়ার ঘটনা সবচেয়ে বিস্ময়কর, বলছেন নির্মলবাবুরা।
তাঁদের কথায়, ডাকবিভাগ থেকে বৈঠকে ডাকা হচ্ছে এজেন্ট বা তাঁদের সংগঠনের প্রতিনিধিদের। যেগুলিতে কমিশন নেই সেইসব প্রকল্প বিক্রি করার কথা বলা হচ্ছে সেখানেই! পোস্ট অফিসগুলি থেকেও এজেন্টদের উপর এই বিষয়ে চাপ দেওয়া হয়। এগুলি নতুন নয়, বছরের পর বছর ধরেই তা চলে আসছে। এজেন্টমাত্রই এই বিষয়গুলি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তারপরও কেন্দ্র কীভাবে তা অস্বীকার করে গেল, সেই প্রশ্নই উঠছে।



