নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক অশান্তির জের। এক ব্যক্তিকে খুন করে গলায় ফাঁস দিয়ে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল মৃতের বোন ও জামাইদের বিরুদ্ধে। বুধবার সকালে শান্তিপুরের গোবিন্দপুর পাইকারি সব্জিবাজার থেকে ঝন্টু সরকার(৫৭) নামে ওই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এরপরই মৃতের পরিবারের তরফে শান্তিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা দায়ের করেছে পুলিস। যদিও বুধবার বিকেল পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেপ্তার করা হয়নি।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত শ্যামলী বিশ্বাস সম্পর্কে মৃতের বোন। এছাড়াও তাঁর স্বামী সুভাষ বিশ্বাস ও মেয়ে সঞ্চিতা বিশ্বাসও এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত। মৃতের পরিবারের তরফে দায়ের করা অভিযোগপত্রে আরও দুই আত্মীয়, গোপাল বিশ্বাস ও মন্টু সরকারের নামও রয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই সম্পত্তি নিয়ে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক বিবাদ চলছিল। সঞ্চিতা বিশ্বাস ও তাঁর পরিবার ঝন্টুবাবুর বিরুদ্ধে সম্পত্তি সংক্রান্ত ২৪টি পৃথক মামলা দায়ের করেছে। মৃতের স্ত্রী ভারতী সরকার বলেন, ওরা সম্পত্তির জন্য আমাদের বিরুদ্ধে প্রচুর মামলা করেছে। সব মামলাতেই আমরা জিতে গিয়েছি। প্রতিটি মামলায় হেরে যাওয়ার পর ওরা আমাদের হুমকি দিত। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস, আমার স্বামীকে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, এর সঠিক তদন্ত হোক।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অন্যতম অভিযুক্ত তথা মৃতের ভাগ্নি সঞ্চিতা বিশ্বাস। তাঁর দাবি, এসব সম্পূর্ণ ভুল অভিযোগ। আমরা কেন খুন করতে যাব? বরং ওরাই আমাদের উপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার করে। খুনের অভিযোগ একেবারেই মিথ্যে।
প্রসঙ্গত, ঝন্টুবাবু শান্তিপুরের গোবিন্দপুর পাইকারি সব্জিবাজারে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। মাঝেমধ্যেই সেখানে থেকেও যেতেন তিনি। একইভাবে মঙ্গলবার রাতেও তিনি বাড়ি ফেরেননি। সকালে স্থানীয়দের কাছে খবর মেলে, গোবিন্দপুর বাজারে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে ঝন্টুবাবুর নিথর দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শান্তিপুর থানার পুলিস। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রানাঘাট পুলিস মর্গে পাঠানো হয়। রানাঘাট জেলা পুলিসের এক কর্তা বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। দু’পক্ষের মধ্যে সম্পত্তিগত বিবাদ ছিল। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। আপাতত তদন্ত করে সেই অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।
যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অন্যতম অভিযুক্ত তথা মৃতের ভাগ্নি সঞ্চিতা বিশ্বাস। তাঁর দাবি, এসব সম্পূর্ণ ভুল অভিযোগ। আমরা কেন খুন করতে যাব? বরং ওরাই আমাদের উপর বিভিন্নভাবে অত্যাচার করে। খুনের অভিযোগ একেবারেই মিথ্যে।
প্রসঙ্গত, ঝন্টুবাবু শান্তিপুরের গোবিন্দপুর পাইকারি সব্জিবাজারে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন। মাঝেমধ্যেই সেখানে থেকেও যেতেন তিনি। একইভাবে মঙ্গলবার রাতেও তিনি বাড়ি ফেরেননি। সকালে স্থানীয়দের কাছে খবর মেলে, গোবিন্দপুর বাজারে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছে ঝন্টুবাবুর নিথর দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শান্তিপুর থানার পুলিস। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রানাঘাট পুলিস মর্গে পাঠানো হয়। রানাঘাট জেলা পুলিসের এক কর্তা বলেন, আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। দু’পক্ষের মধ্যে সম্পত্তিগত বিবাদ ছিল। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। আপাতত তদন্ত করে সেই অভিযোগের সত্যতা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।



