নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এক সপ্তাহ পার। সংসদে অচলাবস্থা কাটছে না। তবে মঙ্গলবার থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। সোমবারও দফায় দফায় সংসদ মুলতুবি হয়। অচলাবস্থা কাটাতে এদিন বিকালে নিজের চেম্বারে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সরকার পক্ষকে বসানো হয় বিরোধীদের মুখোমুখি। সেখানেই বিরোধীদের চাপে সরকার মানতে বাধ্য হয় যে, উত্তরপ্রদেশের সম্ভল, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার ইস্যুতে আলোচনা হবে। আজ, মঙ্গলবার এ ব্যাপারে লোকসভায় বিষয়গুলি উত্থাপন করবেন বিরোধী সাংসদরা।
Advertisement
পাশাপাশি বিরোধীদের চাপে বাধ্য হয়ে আগামী ১৩-১৪ ডিসেম্বর লোকসভায় ও ১৬-১৭ ডিসেম্বর রাজ্যসভায় সংবিধান গ্রহণের ৭৫তম বর্ষ নিয়ে আলোচনায় রাজি হয়েছে সরকার। সে সময় বিরোধীরা বিজেপিকে সমালোচনার শূলে চড়াবে বলেই তৈরি হচ্ছে। নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সংবিধানের অবমাননা, অধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে বলেই বিরোধীদের অভিযোগ।
এদিনের বৈঠকে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বারবার সংসদ চলতে দেওয়ার জন্য আবেদন করেন। যদিও বিরোধীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সংসদ চালানোর দায়িত্ব সরকারের। নানা ইস্যুতে বিরোধীদের বলতে দিলেই সংসদ মসৃণভাবে চলতে পারে। রাজি হয়েছে সরকার। বৈঠকে কংগ্রেসের গৌরব গগৈ, তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব, ডিএমকে’র টি আর বালু, এনসিপি (শারদ পাওয়ার)র সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে গিয়েছিলেন।
সংসদে গত কয়েক দিনের অচলাবস্থার জন্য মোদি সরকারের দিকে আঙুল তুলছে বিরোধীরা। এদিন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন চাঁছাছোলা ভাষায় বলেন, ‘সংসদকে হত্যা করছে বিজেপি। ওরাই সংসদ চালাতে চায় না। বিরোধীদের সমালোচনা এড়াতে পালাচ্ছে।’ দলের আর এক এমপি সুস্মিতা দেবের সওয়াল, ‘মানুষ ভুলে যায়নি বিরোধী এমপিদের সাসপেন্ড করে কীভাবে সংসদে বিল পাশ করেছেন মোদি। তাহলে এখন কেন সংসদ চালাচ্ছেন না? আসলে বিরোধীদের ইস্যুর মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে বিজেপি।’
এদিনের বৈঠকে সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু বারবার সংসদ চলতে দেওয়ার জন্য আবেদন করেন। যদিও বিরোধীরা স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, সংসদ চালানোর দায়িত্ব সরকারের। নানা ইস্যুতে বিরোধীদের বলতে দিলেই সংসদ মসৃণভাবে চলতে পারে। রাজি হয়েছে সরকার। বৈঠকে কংগ্রেসের গৌরব গগৈ, তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সমাজবাদী পার্টির ধর্মেন্দ্র যাদব, ডিএমকে’র টি আর বালু, এনসিপি (শারদ পাওয়ার)র সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে গিয়েছিলেন।
সংসদে গত কয়েক দিনের অচলাবস্থার জন্য মোদি সরকারের দিকে আঙুল তুলছে বিরোধীরা। এদিন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন চাঁছাছোলা ভাষায় বলেন, ‘সংসদকে হত্যা করছে বিজেপি। ওরাই সংসদ চালাতে চায় না। বিরোধীদের সমালোচনা এড়াতে পালাচ্ছে।’ দলের আর এক এমপি সুস্মিতা দেবের সওয়াল, ‘মানুষ ভুলে যায়নি বিরোধী এমপিদের সাসপেন্ড করে কীভাবে সংসদে বিল পাশ করেছেন মোদি। তাহলে এখন কেন সংসদ চালাচ্ছেন না? আসলে বিরোধীদের ইস্যুর মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে বিজেপি।’



