নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: এবার অত্যাধুনিক মেশিনের মাধ্যমে জটিল অপারেশন শুরু হচ্ছে আসানসোল ইএসআই হাসপাতালে। ফলে, এই হাসপাতালের রোগীকে অন্যত্র যেতে হবে না। শ্রমিকরা বিনামূল্যে রাজ্য সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই হাসপাতাল থেকেই সুস্থ হয়ে উঠবেন। শনিবার রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক দুটি আধুনিক মেশিনের উদ্বোধন করেন। এই দুটি মেশিনের পাশাপাশি একটি ২০০ আসনের অডিটোরিয়ামও এদিন উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।
Advertisement
সি আর্ম মেশিন অর্থোপেডিক চিকিৎসায় যুগান্তর এনেছে। হিপ জয়েন্ট থেকে শুরু করে অর্থোপেডিকের নানা জটিল অপারেশন নিঁখুতভাবে করতে পারে এই স্বয়ংক্রিয় মেশিন। আসানসোল ইএসআই হাসপাতালে তিনজন অর্থোপেডিক সার্জেন থাকলেও এই মেশিন না থাকায় জটিল অপারেশন করা যেত না। এবার সেই সমস্যা মিটল। একইভাবে গলব্লাডার সহ অন্যান্য অপারেশনে এখন পেট কেটে ওপেন করা উঠে গিয়েছে। ল্যাপারোস্কোপি মেশিন দিয়ে আধুনিক পদ্ধতিতে অপারেশন করা হয়। সেই মেশিনের ব্যবহার শুরু করছে আসানসোল ইএসআই হাসপাতাল।
মলয়বাবু বলেন, ২০১১ সালে এই হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কমে ২০ হাজারে নেমে গিয়েছিল। তারপর ক্রমে এই হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নত করা হয়। ডায়ালিসিস ইউনিট আগেই চালু হয়েছে। এবার থেকে এই দুটি মেশিনের মাধ্যমে জটিল অস্ত্রোপচার করার সম্ভব হবে।
ইএসআই ডিরেক্টরেটের ডেপুটি ডিরেক্টর(প্ল্যানিং) ময়ূখ রায় বলেন, ৪০ লক্ষ টাকা খরচ করে সি আর্ম ও ৫০ লক্ষ টাকায় ল্যাপারোস্কোপি মেশিন আনা হয়েছে। শুধু চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নয়ন করাই নয়, হাসপাতালের জল সমস্যা মেটানোর জন্য বিকল্প পদ্ধতি চালু হচ্ছে। একটি পরিত্যক্ত কুয়ো থেকে জল তুলে পরিস্রুত করে হাসপাতালে সরবরাহ করার ব্যবস্থা হয়েছে। আসানসোল ইএসআই হাসপাতালের সুপার অতনু ভদ্র বলেন, জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর একটি বিশেষ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরি করে দিয়েছে।
মলয়বাবু বলেন, ২০১১ সালে এই হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা কমে ২০ হাজারে নেমে গিয়েছিল। তারপর ক্রমে এই হাসপাতালের পরিকাঠামো উন্নত করা হয়। ডায়ালিসিস ইউনিট আগেই চালু হয়েছে। এবার থেকে এই দুটি মেশিনের মাধ্যমে জটিল অস্ত্রোপচার করার সম্ভব হবে।
ইএসআই ডিরেক্টরেটের ডেপুটি ডিরেক্টর(প্ল্যানিং) ময়ূখ রায় বলেন, ৪০ লক্ষ টাকা খরচ করে সি আর্ম ও ৫০ লক্ষ টাকায় ল্যাপারোস্কোপি মেশিন আনা হয়েছে। শুধু চিকিৎসা পরিকাঠামো উন্নয়ন করাই নয়, হাসপাতালের জল সমস্যা মেটানোর জন্য বিকল্প পদ্ধতি চালু হচ্ছে। একটি পরিত্যক্ত কুয়ো থেকে জল তুলে পরিস্রুত করে হাসপাতালে সরবরাহ করার ব্যবস্থা হয়েছে। আসানসোল ইএসআই হাসপাতালের সুপার অতনু ভদ্র বলেন, জনস্বাস্থ্য ও কারিগরি দপ্তর একটি বিশেষ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট তৈরি করে দিয়েছে।



