


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: অর্থনীতির হাল ধরবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ। বিগত ১১ বছরে বহু প্রচার এবং দাবির পরও দেখা যাচ্ছে অর্থনীতি যথেষ্ট টালমাটাল। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের উপর ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্ক আরোপ করার পর বাণিজ্য সংকটে। আর এরকমই সময় দেখা যাচ্ছে ২০২০ সাল থেকে লাগাতার আত্মনির্ভর ভারতের প্রচার করা সত্ত্বেও আদতে তা হয়নি। কারণ আজও রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি হচ্ছে। তার ফলশ্রুতি হল বাণিজ্য ঘাটতি। হঠাৎ ট্রাম্পের শুল্কযুদ্ধের পর বিগত কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে স্বদেশি আন্দোলনের সুর। তিনি যে কোনও সভা সমাবেশে বলছেন যে, এবার নতুন করে স্বদেশি আন্দোলন শুরু করার সময় এসেছে। তিনি আহ্বান করছেন, আমজনতা যেন একমাত্র ভারতের উৎপাদিত পণ্যই ক্রয় করে ও বিদেশি পণ্য বয়কট করে। জানা যাচ্ছে, এই নয়া মন্ত্র রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের। তারা প্রথম থেকেই স্বদেশির প্রচারক। কিন্তু এতদিন সেই স্বদেশিকে সেভাবে গ্রহণ করেনি মোদি সরকার। এবার ১১ বছর পর মার্কিন ও চীনা পণ্য ও পরিষেবার জোড়া চাপে ভারত কোণঠাসা দেখে সংঘ তাদের এতকালের এজেন্ডা পূরণে এগিয়ে এসেছে। সংঘ স্বদেশি অর্থনীতির একটি পরিকল্পনা তৈরি করছে। সেই পরিকল্পনা নিয়ে শীঘ্রই একটি প্রেজেন্টেশন দেখানো হবে। সংঘের অভ্যন্তরে ওই আলোচনার পর কেন্দ্রকেও পাঠানো হবে। এমনকী সরকারের অর্থনীতি সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণকারী কয়েকজন সর্বোচ্চ পদমর্যাদার আধিকারিককে ওই প্রেজেন্টেশন দেখাতে চায় সংঘ। সুতারং ইঙ্গিত স্পষ্ট যে, আগামী দিনে সংঘ আরও বেশি করে কেন্দ্রীয় নীতি সিদ্ধান্তগ্র হণে পরামর্শ ও সুপারিশ করতে চাইছে।