নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার শিক্ষকদের র্যাশনালাইজেশন বা সুষম বিন্যাসের আওতায় আনা হচ্ছে সরকারি স্কুলগুলিকেও। ছাত্রসংখ্যার অনুপাতে বাড়তি শিক্ষকদের এমন স্কুলে বদলি করা হবে, যেখানে তাঁদের প্রয়োজন রয়েছে। এই ব্যবস্থাকেই বলা হচ্ছে র্যাশনালাইজেশন। এতদিন সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং সরকার পোষিত স্কুলে এই ব্যবস্থা চালু থাকলেও সরকারি স্কুলে এই ব্যবস্থা চালু হয়নি। বুধবার স্কুলশিক্ষা কমিশনারের তরফে সরকারি স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের কাছে মেডিক্যাল ডিটেইলস সহ সমস্ত শিক্ষকের তথ্যাদি চাওয়া হয়েছে।
Advertisement
শিক্ষকরা তাঁদের যাবতীয় তথ্য স্কুলকে দেবেন ১৭ জানুয়ারির মধ্যে। স্কুল সেগুলি র্যাশনালাইজেশনের জন্য নির্দিষ্ট পোর্টালে তুলে দেবে ২০ জানুয়ারির মধ্যে। মেডিক্যাল ডিটেইলস বা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত খুঁটিনাটি তথ্য জমা দেওয়া যাবে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। মনে করা হচ্ছে, শারীরিক সমস্যা রয়েছে এমন শিক্ষকদের তাঁদের বাড়ির কাছাকাছি বদলি করার জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া বা তাঁদের ইচ্ছানুযায়ী বদলির আওতা থেকে বাদ দেওয়ার জন্যই মেডিক্যাল ডিটেইলস চাওয়া হচ্ছে।
বিষয়টিকে অবশ্য এত সহজভাবে দেখতে রাজি নয় সরকারি শিক্ষকদের একটি বড় অংশ। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৌগত বসু বলেন, একথা ঠিক যে কিছু শিক্ষক-শিক্ষিকা বহুদিন ধরে দূরের স্কুলে চাকরি করছেন। তাঁদের বাড়ির কাছাকাছি বদলি পাওয়া জরুরি। তবে, যেভাবে র্যাশনালাইজেশনের কথা বলা হচ্ছে, তা সম্ভব নয়। কেন একথা বলছেন তাঁরা? সৌগতবাবুর দাবি, সরকারি স্কুলগুলি এমনিতেই শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী ৩৯টি স্কুলে প্রয়োজনের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ শিক্ষক রয়েছেন। ফলে বাড়তি শিক্ষক কোথায় মিলবে? বরং বিআরজিএফ প্রকল্পের অধীনে তৈরি এনআইজিএস স্কুল এবং কেন্দ্রের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত মডেল স্কুলগুলিতে কিছুটা বেশি শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদেরই এই বদলির সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়াস শুরু হয়েছে।
এই বদলিতে সমস্যা কোথায়? সংগঠনের দাবি, এই বদলির মাধ্যমে স্বজনপোষণ এবং অন্যান্য অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা আদান-প্রদানের দরজা খুলে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, পুরনো এবং ঐতিহ্যশালী স্কুলগুলিতে অন্য প্রকল্পের অধীন স্কুল থেকে শিক্ষক আনায় মানের সঙ্গে আপস করা হবে বলে সংগঠনের দাবি। সংগঠনের বক্তব্য, ২০১৪ সাল পর্যন্ত পুরনো স্কুলগুলিতে পিএসসি’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। তাঁরা বিশেষভাবে যোগ্য হওয়ায় কম শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও তাঁরা স্কুলগুলির মান একেবারে পড়ে যেতে দেননি। বদলির ফলে পুরো বিন্যাসটাই পাল্টে যাবে।
বিষয়টিকে অবশ্য এত সহজভাবে দেখতে রাজি নয় সরকারি শিক্ষকদের একটি বড় অংশ। পশ্চিমবঙ্গ সরকারি বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৌগত বসু বলেন, একথা ঠিক যে কিছু শিক্ষক-শিক্ষিকা বহুদিন ধরে দূরের স্কুলে চাকরি করছেন। তাঁদের বাড়ির কাছাকাছি বদলি পাওয়া জরুরি। তবে, যেভাবে র্যাশনালাইজেশনের কথা বলা হচ্ছে, তা সম্ভব নয়। কেন একথা বলছেন তাঁরা? সৌগতবাবুর দাবি, সরকারি স্কুলগুলি এমনিতেই শিক্ষকের অভাবে ধুঁকছে। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী ৩৯টি স্কুলে প্রয়োজনের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ শিক্ষক রয়েছেন। ফলে বাড়তি শিক্ষক কোথায় মিলবে? বরং বিআরজিএফ প্রকল্পের অধীনে তৈরি এনআইজিএস স্কুল এবং কেন্দ্রের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত মডেল স্কুলগুলিতে কিছুটা বেশি শিক্ষক রয়েছেন। তাঁদেরই এই বদলির সুযোগ করে দেওয়ার প্রয়াস শুরু হয়েছে।
এই বদলিতে সমস্যা কোথায়? সংগঠনের দাবি, এই বদলির মাধ্যমে স্বজনপোষণ এবং অন্যান্য অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা আদান-প্রদানের দরজা খুলে দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, পুরনো এবং ঐতিহ্যশালী স্কুলগুলিতে অন্য প্রকল্পের অধীন স্কুল থেকে শিক্ষক আনায় মানের সঙ্গে আপস করা হবে বলে সংগঠনের দাবি। সংগঠনের বক্তব্য, ২০১৪ সাল পর্যন্ত পুরনো স্কুলগুলিতে পিএসসি’র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। তাঁরা বিশেষভাবে যোগ্য হওয়ায় কম শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও তাঁরা স্কুলগুলির মান একেবারে পড়ে যেতে দেননি। বদলির ফলে পুরো বিন্যাসটাই পাল্টে যাবে।



