মস্কো: রাশিয়া অধিকৃত ক্রিমিয়ায় বৃহস্পতিবার শক্তিশালী বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় উচ্চপদস্থ নৌসেনা আধিকারিক রবার্ট শাগেভের। সেই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে রুশ এসকর্ট মার্গারিতা রুতকে। সূত্রের খবর, আগে ইউক্রেন নৌসেনায় কর্মরত ছিলেন রবার্ট। ২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দ্বীপ দখল নেওয়ার পরেই রবার্টের ‘কীর্তি’ সামনে আসে। তলে তলে তিনি রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছিলেন বলে অভিযোগ। ক্রিমিয়া দ্বীপ দখলের পর ৪৯ বছরের রবার্টকে ব্ল্যাক সি যুদ্ধজাহাজে নিয়োগ করে ক্রেমলিন। আর বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগে রবার্টকে ‘ওয়ান্টেড’ ঘোষণা করে কিয়েভ। রাশিয়ার অভিযোগ, ইউক্রেনের গুপ্তচর সংস্থার নির্দেশেই রবার্টকে নিকেশ করতে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন বছর ৩২-এর মার্গারিতা। ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পরেই ক্রিমিয়ার সেভাস্তোপোল শহর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে রুশ পুলিশ। ‘দ্য টেলিগ্রাফ’-এর খবর অনুযায়ী, সেভাস্তোপোলে রাস্তার ধারে আবর্জনা ফেলার জায়গায় বিস্ফোরক রেখে দেন মার্গারিতা। সেই পথ দিয়ে রবার্টের যাওয়ার সময় বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে স্থানীয়রা ভেবেছিলেন সেখানে বুঝি কোনো ড্রোন হামলা হয়েছে! এরপরেই মার্গারিতাকে গ্রেপ্তার করে রাশিয়ার ফেডারেল সিকিউরিটি সার্ভিস (এফবিএস)। তিনিও দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন বলে এফবিএসের দাবি। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, বিস্ফোরণের পরেই ক্রিমিয়া ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। তবে তার আগেই ধরা পড়ে যান। এই ঘটনায় তাঁর কোনো অনুশোচনা নেই বলে মার্গারিতা জানিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের ধারায় মামলা করেছে রুশ প্রশাসন। দোষী প্রমাণিত হলে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে।



