


কিয়েভ: শনিবার রাতভর ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর আছড়ে পড়ল কয়েকশো রুশ সমরাস্ত্র। তিন বছরের যুদ্ধে এটাই আকাশপথে রাশিয়ার চালানো সবথেকে বড় হামলা। জানা গিয়েছে, আকাশপথে মোট ৫৩৭টি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে পুতিন বাহিনী। এর মধ্যে ৪৭৭টি ড্রোন ও ডিকয়। একইসঙ্গে আছড়ে পড়ে ৬০টি ক্ষেপণাস্ত্র। ইউক্রেনের বায়ুসেনা জানিয়েছে, ২৪৯টি সমরাস্ত্র ধ্বংস করা হয়েছে। ‘ইলেকট্রনিক জ্যামিং’এর মাধ্যমে আরও ২২৬টিকে বাগে আনা হয়। বেশ কিছু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করলেও রুশ হামলা পুরোপুরি রুখতে পারেনি জেলেনস্কির দেশ। ফলে একাধিক অঞ্চলে আঘাত হানতে সক্ষম হয় রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র। খেরসনে ড্রোন হামলায় এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। রুশ হামলা ঠেকাতে গিয়ে একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ে। ঘটনায় পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। খারকিভে রুশ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন এক স্থানীয় বাসিন্দা। জবাবে পাল্টা ড্রোন হামলা চালায় কিয়েভও। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ভোররাতে তিনটি ড্রোন ধ্বংস করা হয়। অন্যদিকে, পশ্চিম রাশিয়ার ব্রায়ানস্ক শহরে ড্রোন হামলায় দু’জন জখম হয়েছেন।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন থামাতে উদ্যোগী হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি বছরে ইস্তানবুলে দু’বার আলোচনায় বসেছিলেন দু’দেশের প্রতিনিধিরা। তবে রফাসূত্র মেলেনি। এরইমধ্যে শুক্রবার পুতিন জানান, ইস্তানবুলে ফের সরাসরি আলোচনায় বসতে রাজি মস্কো। তবে শনিবারের হামলার পর বৈঠকের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রুশ হামলায় ভেঙেছে বাড়ি। পোষ্যকে নিয়ে রাস্তায় তরুণী। -এএফপি