নয়াদিল্লি: যোগী সরকারের বুলডোজার নীতি নিয়ে আগেই অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। এবার এক ব্যক্তির বাড়ি ভেঙে দেওয়ার ক্ষতিপূরণ হিসেবে যোগী সরকারকে ২৫ লক্ষ টাকা জরিমানা করল আদালত। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ জানিয়েছে, ‘কোনও রকম আগাম সতর্ক না করে রাতারাতি কারও বাড়ি এভাবে ভেঙে দেওয়া যায় না। তাঁকে জিনিসপত্র সরানোর সময় দিতে হবে। এটা অনাচার।’ বেঞ্চের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি জে বি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্র।
Advertisement
সুপ্রিম কোর্টের রায় সামনে আসার পরেই যোগী সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। কংগ্রেস এবং সমাজবাদী পার্টি জানিয়েছে, বুলডোজারের অপব্যবহার করেছে রাজ্য সরকার। সমাজবাদী পার্টির মুখপাত্র শীবেন্দ্র বিক্রম সিং বলেন, ‘এই বুলডোজার নীতি বন্ধ করা উচিত। মানুষের সারাজীবনের সঞ্চয় চলে যায় বাড়ি তৈরি করতে। একতরফাভাবে বাড়ি ভেঙে দেওয়া অপরাধ। স্থানীয় বিজেপি নেতাদের স্বার্থ দেখতেই বুলডোজার ব্যবহার করা হচ্ছে।’
২০১৯ সালে মহারাজগঞ্জ জেলায় মনোজ তিব্রেওয়াল আকাশ নামে এক ব্যক্তির বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেয় উত্তরপ্রদেশ সরকার। রাজ্যের অভিযোগ, আকাশের বাড়ির একটি অংশ (৩.৭ মিটার) সরকারি জমি দখল করে তৈরি হয়েছে। বিষয়টির কথা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চিঠি লেখেন আকাশ। সেই চিঠির ভিত্তিতে ২০২০ সালে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে সর্বোচ্চ আদালত। বুধবার মামলার শুনানির সময় জমি দখলের বিষয়টি তুলতেই রাজ্যের আইনজীবীদের থামিয়ে দেন বিচারপতিরা। আদালত জানায়, ‘আপনারা বলছেন ৩.৭ মিটার জমি দখল করা হয়েছে। মেনে নিলাম। তবে আপনারা কীভাবে এমন করে বাড়ি ভেঙে দিতে পারেন?’ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়, বাড়ি ভাঙার জন্য কোনও নোটিস জারি করা হয়নি। এটা শোনার পরেই বিস্মিত আদালতের প্রশ্ন, ‘আপনারা এলাকায় গিয়ে লাউড স্পিকারে বাড়ি ভাঙার কথা ঘোষণা করে দিলেন?’ আদালত জানিয়েছে, বাড়ি ভাঙার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতি মানতে হবে। জিনিসপত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অভিযুক্তকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।
২০১৯ সালে মহারাজগঞ্জ জেলায় মনোজ তিব্রেওয়াল আকাশ নামে এক ব্যক্তির বাড়ি বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেয় উত্তরপ্রদেশ সরকার। রাজ্যের অভিযোগ, আকাশের বাড়ির একটি অংশ (৩.৭ মিটার) সরকারি জমি দখল করে তৈরি হয়েছে। বিষয়টির কথা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চিঠি লেখেন আকাশ। সেই চিঠির ভিত্তিতে ২০২০ সালে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে সর্বোচ্চ আদালত। বুধবার মামলার শুনানির সময় জমি দখলের বিষয়টি তুলতেই রাজ্যের আইনজীবীদের থামিয়ে দেন বিচারপতিরা। আদালত জানায়, ‘আপনারা বলছেন ৩.৭ মিটার জমি দখল করা হয়েছে। মেনে নিলাম। তবে আপনারা কীভাবে এমন করে বাড়ি ভেঙে দিতে পারেন?’ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্বীকার করা হয়, বাড়ি ভাঙার জন্য কোনও নোটিস জারি করা হয়নি। এটা শোনার পরেই বিস্মিত আদালতের প্রশ্ন, ‘আপনারা এলাকায় গিয়ে লাউড স্পিকারে বাড়ি ভাঙার কথা ঘোষণা করে দিলেন?’ আদালত জানিয়েছে, বাড়ি ভাঙার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নীতি মানতে হবে। জিনিসপত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অভিযুক্তকে পর্যাপ্ত সময় দিতে হবে।



