সংবাদদাতা, শীতলকুচি: রাতের অন্ধকারে মাটি ফেলে খাস জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠল শীতলকুচিতে। অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল সভাপতির উপস্থিতিতে ওই খাস জমি বিক্রি হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে ট্রাক্টর ট্রলি দিয়ে সেই জমিতে মাটি ভরাট করা হলে স্থানীয়রা বাধা দেন। উত্তেজনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় শীতলকুচি থানার পুলিস। যদিও পুলিস আসার আগেই পালিয়ে যায় ট্রাক্টর ট্রলি।
Advertisement
স্থানীয় যুবক সঞ্জীব বর্মন জানান, এই খাস জমিটি দীর্ঘদিন ধরে পড়ে ছিল। এদিন ট্রাক্টরের মাধ্যমে মাটি ফেলা হচ্ছিল। স্থানীয়রা মাটি ফেলতে বাধা দেয় ও পুলিসে খবর দেয়। কারা জমিটি দখল করছিল সে বিষয়টি জানা নেই। বাসিন্দাদের অভিযোগ পেয়ে শুক্রবার ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখেন ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা। যদিও এই জমিটির প্রকাশ্যে মুখ খোলেনি বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানাগিয়েছে, স্থানীয় বুলু মিয়াঁ জমিটি দখল করার চেষ্টা করছিল। যদিও বুলু মিয়াঁর দাবি, এই জমিটি আমি গ্রামের হামিদুল মিয়াঁর থেকে কিনেছিলাম। জমি কেনার সময় তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি নুরবক্ত মিয়াঁ উপস্থিত ছিলেন। কয়েকমাস আগে বড়মরিচার এক যুবকের কাছে বিক্রি করেছি।
যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের লালবাজার অঞ্চল সভাপতি নুরবক্ত মিয়াঁ জানান, জমি বিক্রির বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। একদিন বুথের পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ি যাওয়ার সময় ভিড় দেখে সেখানে দাঁড়াই। দুই ব্যক্তি কিছু টাকা লেনদেন করছিল তবে কিসের টাকা লেনদেন হয়েছে তা সেবিষয়ে কিছুই জানা নেই। শীতলকুচি বিএলআরও প্রভাস পাহান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খাস জমি হলে এবিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের লালবাজার অঞ্চল সভাপতি নুরবক্ত মিয়াঁ জানান, জমি বিক্রির বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। একদিন বুথের পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়ি যাওয়ার সময় ভিড় দেখে সেখানে দাঁড়াই। দুই ব্যক্তি কিছু টাকা লেনদেন করছিল তবে কিসের টাকা লেনদেন হয়েছে তা সেবিষয়ে কিছুই জানা নেই। শীতলকুচি বিএলআরও প্রভাস পাহান জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। খাস জমি হলে এবিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



