সংবাদদাতা, কাটোয়া: রটন্তী কালীপুজো ঘিরে উৎসবের মেজাজ গুসকরা শহরে। সোমবার থেকে এখানে পুর উৎসবেরও সূচনা হয়েছে। এদিন বিকেলে বারোয়ারিতলা থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহর পরিক্রমা করে। পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক আয়েষা রানি এ, পুলিস সুপার সায়ক দাস, জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
পুলিস সুপার বলেন, আমি প্রথমবার রটন্তী কালীপুজো ও পুর উৎসবে এসেছি। খুব ভালো লাগছে। গুসকরা ফাঁড়ি থানায় উন্নীত হবে। তার জন্য আমরা কিছু কাগজপত্র তৈরি করছি। জেলাশাসক বলেন, গুসকরা পুর উৎসবে যোগ দিতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। সবাই উৎসবে মেতেছেন।
পূর্ব বর্ধমান জেলার পুরনো শহরের মধ্যে অন্যতম গুসকরা। শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে কুনুর নদী। এশহর দিয়েই আউশগ্রাম, জঙ্গলমহল এলাকায় যাওয়া যায়। ভাল্কি মাচান থেকে শুরু করে জঙ্গলমহলের নানা এলাকায় প্রতিবছর পর্যটকরা আসেন। তাই স্থানীয় পর্যটনশিল্পে গুসকরারও গুরুত্ব রয়েছে।
একসময় গুসকরায় চোঙদারবাড়ির হাত ধরে কুনুর নদীর ধারে রটন্তীকালী পুজোর সূচনা হয়। পরবর্তীকালে এই পুজো শহরের ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। গুসকরা পুরসভায় উন্নীত হলে রটন্তীকালী পুজোর দিন থেকেই পুর উৎসবেরও আয়োজন করা হয়।
সোমবার অনুষ্ঠানের সূচনা হল। চারদিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে। তবে মেলা চলবে সাতদিন ধরে। নিরাপত্তার জন্য মেলা চত্বর সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য প্রচুর পুলিস মোতায়েন রয়েছে।
পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় বলেন, পুর উৎসব ও রটন্তী কালীপুজো গুসকরাবাসীর কাছে একটা আবেগ। মানুষের সুবিধার্থে পুরসভার তরফে সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পূর্ব বর্ধমান জেলার পুরনো শহরের মধ্যে অন্যতম গুসকরা। শহরের মাঝ দিয়ে বয়ে চলেছে কুনুর নদী। এশহর দিয়েই আউশগ্রাম, জঙ্গলমহল এলাকায় যাওয়া যায়। ভাল্কি মাচান থেকে শুরু করে জঙ্গলমহলের নানা এলাকায় প্রতিবছর পর্যটকরা আসেন। তাই স্থানীয় পর্যটনশিল্পে গুসকরারও গুরুত্ব রয়েছে।
একসময় গুসকরায় চোঙদারবাড়ির হাত ধরে কুনুর নদীর ধারে রটন্তীকালী পুজোর সূচনা হয়। পরবর্তীকালে এই পুজো শহরের ঐতিহ্যের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গিয়েছে। গুসকরা পুরসভায় উন্নীত হলে রটন্তীকালী পুজোর দিন থেকেই পুর উৎসবেরও আয়োজন করা হয়।
সোমবার অনুষ্ঠানের সূচনা হল। চারদিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে। তবে মেলা চলবে সাতদিন ধরে। নিরাপত্তার জন্য মেলা চত্বর সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। নিরাপত্তার জন্য প্রচুর পুলিস মোতায়েন রয়েছে।
পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় বলেন, পুর উৎসব ও রটন্তী কালীপুজো গুসকরাবাসীর কাছে একটা আবেগ। মানুষের সুবিধার্থে পুরসভার তরফে সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।



