Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাতে নার্সিং ট্রেনিং স্কুলের হস্টেলে ঢোকার চেষ্টা, ধৃত অ্যাম্বুলেন্স চালক

রাতে নার্সিং ট্রেনিং স্কুলের হস্টেলে ঢোকার চেষ্টা, ধৃত অ্যাম্বুলেন্স চালক
  • ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, পতিরাম: সোমবার রাতে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের নার্সিং ট্রেনিং স্কুলের হস্টেলের পিছনের গ্রিল ও দরজা দিয়ে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করে এক দুষ্কৃতী। পাঁচিল টপকে গ্রিল বেঁকিয়ে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করে সে। এমনকী ভিতরে রাখা জামাকাপড় টেনে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। মধ্যরাতে এমন ঘটনায় আতঙ্কে চিৎকার শুরু করে ছাত্রীরা। খবর পেয়ে পুলিস আসার আগেই নিজের পরিচয় গোপন রাখতে সিসি ক্যামেরা ভেঙে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতী। তবে অন্য একটি সিসি ক্যামেরায় যুবকের মুখ দেখা গিয়েছে। মঙ্গলবার সকালে পুলিস তাকে গ্রেপ্তার করেছে। 
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম বিট্টু দাস। তার বাড়ি হাসপাতালের কাছেই স্লুইসগেট পাড়ায়। সে হাসপাতালেরই একটি অ্যাম্বুলেন্সের চালক। রাতে সে মদ্যপ অবস্থায় নার্সিং স্কুলের পাঁচিল টপকে ভিতরে ঢুকেছিল। তার সঙ্গে এক সহযোগীও রয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। তবে এই ঘটনার পর হাসপাতালের ভিতরে থাকা নার্সিং স্কুলের পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
বালুরঘাট সদর ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) বিক্রম প্রসাদ বলেন, নার্সিং স্কুলের পাঁচিল টপকে এক যুবক ভেতরে ঢুকে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার চেষ্টা করে। সিসি ক্যামেরাও ভেঙে দেয়। পুলিস পৌঁছতেই পালিয়ে গেলেও এদিন সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার সঙ্গে আরও এক সহযোগী রয়েছে বলে জেনেছি। তারও খোঁজ চলছে। আমরা অভিযোগ পেয়েছি। নিরাপত্তা বাড়িয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস বলেন, সোমবার রাতে এক দুষ্কৃতী নার্সিং স্কুলে ঢুকে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে। হস্টেলের জানলায় আওয়াজ করলেও ভিতরে ঢুকতে পারেনি। ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে উপযুক্ত শাস্তির দেওয়ার জন্য পুলিসকে জানিয়েছি। এমন ঘটনা আর যাতে না ঘটে সেই দিকটিও দেখা হচ্ছে। 
হাসপাতাল সূত্রে খবর, জেলা হাসপাতালের ভিতরেই রয়েছে নার্সিং ট্রেনিং স্কুল। সোমবার সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে দিনভর মেয়েরা আনন্দ করে। গভীর রাতে হস্টেলের পিছনের পাঁচিল টপকে এক দুষ্কৃতী ভিতরে ঢুকে পড়ে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। এমন ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নার্সিং স্কুলের ভিতরে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা রক্ষী নেই। এমনকী নার্সিং স্কুলের শিক্ষিকারাও রাতে নিয়মিত থাকেন না বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, হাসপাতালে পর্যাপ্ত পুলিসও নেই। তাই অন্ধকারাচ্ছন্ন অনেক জায়গাতেই দুষ্কৃতীরা মদের আসর বসে। তবে পুলিসের তরফে মাঝেমধ্যেই অভিযান হলেও গতকালের ঘটনায় শিউরে উঠছেন ছাত্রীরা।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ