সংবাদদাতা, তপন: তপনে পোকায় আক্রান্ত গম গাছ। পোকায় গাছের পাতা খেয়ে ফেলায় লোকসানের আশঙ্কা গম চাষিদের। কীটনাশক স্প্রে করার পরামর্শ কৃষিদপ্তরের। রবি মরশুমে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন ব্লকের কয়েক হাজার কৃষক গম চাষ করে থাকেন। কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এবছর তপন ব্লকে মোট ৮ হাজার হেক্টর জমিতে গমের চাষ হয়েছে। এবছর নতুন ধরনের এক প্রকার পোকার আক্রমণ হয়েছে গমগাছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, নতুন ধরনের উইপোকা অনেকটা শুঁয়োপোকার মতো। দিনের বেলা ওই পোকা দেখতে পাওয়া যায় না। রাতের অন্ধকারেই নিশাচর ওই পোকাগুলি গমগাছে আক্রমণ করে। ফলে দিনের বেলা জমিতে গিয়ে দেখা যায় গম গাছের পাতা ব্যাপক হারে খেয়ে ফেলছে পোকাগুলি। পড়ে থাকছে পোকাদের কালো রঙের মল। পোকা দমনে কী করবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় গম চাষিরা। দোকান থেকে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক স্প্রে করেও সমস্যার সমাধান মিলছে না বলে অভিযোগ। এভাবে পোকার আক্রমণ চলতে থাকলে ফলনে ব্যাপক মার খাবেন চাষিরা।
Advertisement
লোকসানের আশঙ্কায় কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে ব্লকের গম চাষিদের। তখন ব্লকের ১১ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় সমস্ত এলাকাতেই গম চাষের ক্ষেত্রে এই পোকার আক্রমণের সমস্যা দেখা দিয়েছে।
তপনের হরসুরা অঞ্চলের গম চাষি বাচ্চু সরকার বলেন, কিছুদিন ধরেই জমিতে গিয়ে দেখছি গমের গাছ খেয়ে ফেলছে পোকা। তবে পোকা দেখা যাচ্ছিল না। কী পোকার আক্রমণ হয়েছে তাও বোঝা যাচ্ছিল না। পরে দোকান থেকে কীটনাশক স্প্রে করার পর দেখি কিছু পোকা মারা গিয়েছে। এরপর এই পোকা নিয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। শুঁয়োপোকার মতো এক ধরনের পোকা গম পাতা খেয়ে ফেলছে।
একই বক্তব্য এলাকার আর এক গমচাষি রাকিব সরকারের। তাঁর কথায়, কৃষি দপ্তর থেকে আমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। ব্লক কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ল্যাম্বডা সাইহ্যালোথ্রিন নামে একটি কীটনাশক ১ লিটার জলে ২ মিলি করে মিশিয়ে জমিতে স্প্রে করলে সুফল মিলবে। এবিষয়ে ফোন করা হলেও জেলার মুখ্য কৃষি অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মেসেজেরও উত্তর দেননি।
তপনের হরসুরা অঞ্চলের গম চাষি বাচ্চু সরকার বলেন, কিছুদিন ধরেই জমিতে গিয়ে দেখছি গমের গাছ খেয়ে ফেলছে পোকা। তবে পোকা দেখা যাচ্ছিল না। কী পোকার আক্রমণ হয়েছে তাও বোঝা যাচ্ছিল না। পরে দোকান থেকে কীটনাশক স্প্রে করার পর দেখি কিছু পোকা মারা গিয়েছে। এরপর এই পোকা নিয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া যায়। শুঁয়োপোকার মতো এক ধরনের পোকা গম পাতা খেয়ে ফেলছে।
একই বক্তব্য এলাকার আর এক গমচাষি রাকিব সরকারের। তাঁর কথায়, কৃষি দপ্তর থেকে আমাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। ব্লক কৃষিদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ল্যাম্বডা সাইহ্যালোথ্রিন নামে একটি কীটনাশক ১ লিটার জলে ২ মিলি করে মিশিয়ে জমিতে স্প্রে করলে সুফল মিলবে। এবিষয়ে ফোন করা হলেও জেলার মুখ্য কৃষি অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মেসেজেরও উত্তর দেননি।



