নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একের পর এক ভুল! আর তার জেরেই বার বার কলকাতা হাইকোর্টের তোপের মুখে বিধাননগর পুলিস কমিশনারেটের ভূমিকা। এবার প্রশ্ন উঠছে, পাঁচ মাস কেটে গেলেও কি নয়া আইন তথা ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আয়ত্ত করে উঠতে পারনি এই কমিশনারেট? এবার বাগুইআটি থানার কর্মকাণ্ডে কার্যত এই প্রশ্নই তুলল হাইকোর্ট। শুধু তাই নয়, ওই গুরুতর ভুলের জন্য বিধাননগর কমিশনারেটের কমিশনার মুকেশকে গোটা ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
Advertisement
কোনও ঘটনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারির প্রয়োজন না থাকলে শুধু নির্দিষ্ট তথ্যের প্রয়োজনে বিএনএস-এর ৩৫(৩) ধারা অনুযায়ী নোটিস পাঠানো বাধ্যতামূলক। পুরনো ফৌজদারি আইনে সেটা ছিল ৪১(এ) ধারা। কিন্তু এই নোটিসে কী উল্লেখ করতে হয়, তাইই জানে না বিধাননগর কমিশনারেট।
মামলাকারীর অভিযোগ, একটি জমি বিবাদ সংক্রান্ত মামলায় নাক গলাচ্ছে পুলিস। মামলাকারীকে বার বার থানায় ডেকে পাঠিয়ে হেনস্তা করা হচ্ছে। এমনকী দু’লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষ চাওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করেন, সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ রয়েছে। যে কারণে নিম্ন আদালতে সম্পত্তি বিবাদ সংক্রান্ত মামলাও চলছে। তার মধ্যেই বাগুইআটি থানার পুলিস গা-জোয়ারি করছে। বারবার নোটিস দিয়ে মামলাকারীকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। থানায় চার ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হচ্ছে। এমনকী ২ লক্ষ টাকা ঘুষও চাওয়া হচ্ছে।
মামলাকারীর আইনজীবীর সওয়ালের মাঝেই মামলাকারীকে পাঠানো বাগুইআটি থানার ৩৫(৩) নোটিসে বিচারপতি ঘোষের চোখ পড়ে। দেখা যায়, বাগুইআটি থানার সাব ইনসপেক্টর মধূসুদন বাগ নামে এক পুলিস আধিকারিকের পাঠানো ওই নোটিসটি আইনের সঙ্গে সাযুজ্য পূর্ণ নয়। আইন না মেনেই নোটিসের ফরম্যাট তৈরি করা হয়েছে। এজলাসে উপস্থিত সরকারি আইনজীবীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘এটা কী ৩৫(৩) নোটিসের বিবেচ্য বস্তু হতে পারে? এটা তো মুচলেকা দেওয়ার মতো। যে ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, তাঁকে দিয়ে বলিয়ে নেওয়া হচ্ছে, আমি ভবিষ্যতে আর কোনও অপরাধ করব না...। এটা কী ৩৫(৩) নোটিসের ফরম্যাট?’ বিচারপতির প্রশ্নের কোনও সদূত্তর দিতে না পারায় সরকারি আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি আরও বলেন, ‘এটা ওঁদের কে শিখিয়েছেন। কোথা থেকে নিয়েছেন এটা? জুলাইতে এই আইন কার্যকর হয়েছে? এঁরা বুঝছেন না এঁরা কী করছেন। শুধু কম্পিউটার রয়েছে, সেখান থেকে ডাউনলোড করে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।’ বিস্ময় প্রকাশ করে বিচারপতি আরও বলেন, ‘একটা কমিশনারেটের এই অবস্থা! এটা একটা কালচার হয়ে যাচ্ছে।’
এরপরই বিচারপতি নির্দেশে জানিয়ে দেন, বিধাননগর পুলিস কমিশনারেটের কমিশনারকে বিএনএসের ৩৫(৩) ধারার পর্যালোচনা করে ওই ধারায় নোটিসের ফরম্যাট পুনর্গঠন করতে হবে। এরপর কমিশনারেটের অন্তর্গত সব থানায় তা কার্যকর করতে হবে।
মামলাকারীর অভিযোগ, একটি জমি বিবাদ সংক্রান্ত মামলায় নাক গলাচ্ছে পুলিস। মামলাকারীকে বার বার থানায় ডেকে পাঠিয়ে হেনস্তা করা হচ্ছে। এমনকী দু’লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঘুষ চাওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করেন, সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক বিবাদ রয়েছে। যে কারণে নিম্ন আদালতে সম্পত্তি বিবাদ সংক্রান্ত মামলাও চলছে। তার মধ্যেই বাগুইআটি থানার পুলিস গা-জোয়ারি করছে। বারবার নোটিস দিয়ে মামলাকারীকে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। থানায় চার ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হচ্ছে। এমনকী ২ লক্ষ টাকা ঘুষও চাওয়া হচ্ছে।
মামলাকারীর আইনজীবীর সওয়ালের মাঝেই মামলাকারীকে পাঠানো বাগুইআটি থানার ৩৫(৩) নোটিসে বিচারপতি ঘোষের চোখ পড়ে। দেখা যায়, বাগুইআটি থানার সাব ইনসপেক্টর মধূসুদন বাগ নামে এক পুলিস আধিকারিকের পাঠানো ওই নোটিসটি আইনের সঙ্গে সাযুজ্য পূর্ণ নয়। আইন না মেনেই নোটিসের ফরম্যাট তৈরি করা হয়েছে। এজলাসে উপস্থিত সরকারি আইনজীবীকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, ‘এটা কী ৩৫(৩) নোটিসের বিবেচ্য বস্তু হতে পারে? এটা তো মুচলেকা দেওয়ার মতো। যে ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে, তাঁকে দিয়ে বলিয়ে নেওয়া হচ্ছে, আমি ভবিষ্যতে আর কোনও অপরাধ করব না...। এটা কী ৩৫(৩) নোটিসের ফরম্যাট?’ বিচারপতির প্রশ্নের কোনও সদূত্তর দিতে না পারায় সরকারি আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বিচারপতি আরও বলেন, ‘এটা ওঁদের কে শিখিয়েছেন। কোথা থেকে নিয়েছেন এটা? জুলাইতে এই আইন কার্যকর হয়েছে? এঁরা বুঝছেন না এঁরা কী করছেন। শুধু কম্পিউটার রয়েছে, সেখান থেকে ডাউনলোড করে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।’ বিস্ময় প্রকাশ করে বিচারপতি আরও বলেন, ‘একটা কমিশনারেটের এই অবস্থা! এটা একটা কালচার হয়ে যাচ্ছে।’
এরপরই বিচারপতি নির্দেশে জানিয়ে দেন, বিধাননগর পুলিস কমিশনারেটের কমিশনারকে বিএনএসের ৩৫(৩) ধারার পর্যালোচনা করে ওই ধারায় নোটিসের ফরম্যাট পুনর্গঠন করতে হবে। এরপর কমিশনারেটের অন্তর্গত সব থানায় তা কার্যকর করতে হবে।



