সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট ভুল দেওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছে কুলপি থানার নিশ্চিন্তপুর রাজনগরের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর মোল্লার পরিবার। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের মাঝামাঝিতে জাহাঙ্গীরের কিডনির সমস্যা ধরা পড়ে। তখন তাঁকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করানো হয়। তখনই জানা যায় তাঁর দুটো কিডনি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। পরে তাঁর ডায়ালিসিস শুরু হয়। সেই সময় চিকিৎসক জানান, একই গ্রুপের কিডনি প্রতিস্থাপন করলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
Advertisement
এবিষয়ে জাহাঙ্গীরের ছোট জামাই মোরসেলিম মোল্লা বলেন, কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে শ্বশুরমশাইয়ের রক্ত সহ বিভিন্ন শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টার রক্তের গ্রুপ ‘বি’ পজেটিভ বলে জানায়। সেই রিপোর্ট ধরে দীর্ঘ পাঁচ মাস যাবৎ হাসপাতালে শ্বশুরমশাইয়ের চিকিৎসা করানো হচ্ছিল। এক সময় এই গ্রুপের কিডনির ডোনারও পাওয়া যায়। তিনি কিডনি দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এরপরই কলকাতার পিজি হাসপাতালে কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য নির্দিষ্ট দিন স্থির করা হয়। কিন্তু অপারেশনের আগে শেষ মুহূর্তে অন্য আর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রক্ত পরীক্ষা করলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ বদলে যায়। ওই ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্টে জানানো হয়, জাহাঙ্গীর মোল্লার রক্তের গ্রুপ ‘এ’ পজেটিভ। অন্য আরও দুটি ডায়গনস্টিক সেন্টারও জানায়, রক্তের গ্রুপ ‘এ’ পজেটিভ।
এই পরিস্থিতিতে দরিদ্র জাহাঙ্গীরের পরিবার অসহায় হয়ে পড়েন। ওই ডায়াগনস্টিকের রিপোর্টের ভুলে কিডনি পেয়েও তাঁরা প্রতিস্থাপন করতে পারলেন না। পরিবারের অভিযোগ, গত পাঁচ মাসে চিকিৎসা করানোর জন্য প্রচুর টাকাও খরচ হয়ে গিয়েছে। ডায়গনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্টের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে ডায়মন্ডহারবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
এই পরিস্থিতিতে দরিদ্র জাহাঙ্গীরের পরিবার অসহায় হয়ে পড়েন। ওই ডায়াগনস্টিকের রিপোর্টের ভুলে কিডনি পেয়েও তাঁরা প্রতিস্থাপন করতে পারলেন না। পরিবারের অভিযোগ, গত পাঁচ মাসে চিকিৎসা করানোর জন্য প্রচুর টাকাও খরচ হয়ে গিয়েছে। ডায়গনস্টিক সেন্টারের ভুল রিপোর্টের কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে ডায়মন্ডহারবার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।



