নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্রাম ও সংবাদদাতা, বেলদা: ইনস্টাগ্ৰামে পরিচয়। চার মাস ধরে চলছিল প্রেমপর্ব। আঠারো বছরের প্রেমিকের টানে স্বামী, দুই সন্তান ও আশা কর্মীর চাকরি ছেড়েছিলেন বছর তিরিশ বয়সি গৃহবধূ। গত ১ সেপ্টেম্বর নয়াগ্ৰাম থানায় স্ত্রীর নিখোঁজ ডায়েরি করেন স্বামী রাম মুর্মু। সোমবার নয়াগ্ৰাম থানার পুলিশ পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ী থানা এলাকা থেকে গৃহবধূকে উদ্ধার করেছে।
নয়াগ্ৰামের বেড়াজল গ্ৰাম পঞ্চায়েতের যুগীশোল গ্ৰামে গৃহবধূর বাড়ি। নয়াগ্ৰাম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল আশা কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাড়িতে স্বামী দুই সন্তান নিয়ে সুখের সন্তান। চারমাস আগে পশ্চিম মেদি নীপুরের কেশিয়ারি থানার বাসিন্দা কার্তিক মুর্মুর সঙ্গে ইনস্টাগ্ৰামে পরিচয় হয়। সেই পরিচয় কিছুদিনের মধ্যে ঘনিষ্ঠতায় পরিণত হয়। সেপ্টেম্বরের এক তারিখে বাড়ি থেকে কাজে যাওয়ার জন্য বেরে হয়েছিলেন। সন্ধ্যার পরেও বাড়ি না ফেরায় বাড়ার সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরিবারের তরফে সেদিন রাতেই নয়াগ্ৰাম থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। পুলিশ এরপরেই তদন্ত শুরু করে। সূত্র মারাফত খবর পেয়ে নয়াগ্ৰাম থানার পুলিশের একটি দল কেশিয়াড়ী থানা এলাকা থেকে গৃহবধূকে এদিন উদ্ধার করে নিয়ে আসে।