সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রিজার্ভড টিকিট হাতে নিয়ে এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রীদের এ প্ল্যাটফর্ম থেকে ও প্ল্যাটফর্মে ছুটে বেড়ানোটাই দস্তুর বীরভূমের রামপুরহাট, বোলপুর ও সাঁইথিয়া স্টেশনে। লটবহর টেনে এই ছোটাছুটির মধ্যে ট্রেন ছেড়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। তখন কপাল চাপড়ানো ছাড়া আর কীই বা করার থাকে। স্টেশনে কাউকে আনতে গেলেও একই অসুবিধের সম্মুখীন হতে হয় মানুষকে।
Advertisement
যাত্রীদের এই হয়রানি থেকে মুক্তি দিতে রামপুরহাট, বোলপুর ও সাঁইথিয়া জংশনে বসতে চলেছে ‘ট্রেন ইন্ডিকেশন বোর্ড’। বৃহস্পতিবার পূর্ব রেলের তরফে প্রেস রিলিজ দিয়ে এমনটাই জানানো হয়েছে। ট্রেন কোন প্ল্যাটফর্ম থেকে ছাড়বে বা কোন প্ল্যাটফর্মে এসে পৌঁছবে তা নির্দেশ করবে এই বোর্ড। এতে যাত্রীদের হয়রানি কমবে। সহজ হবে রেলযাত্রা।
বীরভূম জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির অন্যতম হল রামপুরহাট, বোলপুর ও সাঁইথিয়া স্টেশন। শক্তিপীঠ তারাপীঠে যেতে নামতে হয় রামপুরহাট স্টেশনেই। প্রতিদিনই হাজার হাজার পর্যটক রামপুরহাট জংশন থেকে ট্রেনে ওঠেন নামেন। অধিকাংশ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ রামপুরহাটে। ফলে আশপাশের এলাকার বহু যাত্রী এই স্টেশনেই আসেন ট্রেন ধরতে। এছাড়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পর্যটন কেন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্মভূমি শান্তিনিকেতনের প্রবেশদ্বার হল বোলপুর স্টেশন। এই স্টেশনেও প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীর ভিড় লেগেই থাকে। অন্যদিকে বহু প্রাচীন সাঁইথিয়া জংশন বীরভূম জেলার তৃতীয় ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন। এখান থেকে অন্ডাল যাওয়ার শাখা লাইন থাকায় নিত্যদিন হাজার হাজার যাত্রী এই জংশন ব্যবহার করেন। গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনগুলিতে ট্রেন ইন্ডিকেশন বোর্ড ছিল না। ফলে ট্রেন ধরতে এসে হয়রানির মুখে পড়ত হয় যাত্রীদের।
পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এই স্টেশনগুলিতে টিআইবি স্থাপনের লক্ষ্য হল, ট্রেনের সময়সূচি, প্ল্যাটফর্ম নম্বর, বিলম্ব এবং বাতিলকরণ সম্পর্কে যাত্রীদের তথ্য দেওয়া। এই স্টেশনগুলির নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলিতে টিআইবি বোর্ড বসানো হবে। যাতে যাত্রীরা সহজেই তাঁদের ট্রেন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন, ক’টায় ট্রেন আসবে, লেট আছে কি না, কোন প্ল্যাটফর্মে আসবে ইত্যাদি জানতে পারবেন। যাত্রী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। যাত্রীরা তাঁদের যাত্রা পরিকল্পনা করতে এবং বিনা ঝামেলায় ট্রেনে উঠতে পারবেন। টিআইবির বাস্তবায়ন যাত্রী চলাচলকে সুগম করবে। সেই সঙ্গে প্ল্যাটফর্মে যানজটও কমবে।
বীরভূম জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনগুলির অন্যতম হল রামপুরহাট, বোলপুর ও সাঁইথিয়া স্টেশন। শক্তিপীঠ তারাপীঠে যেতে নামতে হয় রামপুরহাট স্টেশনেই। প্রতিদিনই হাজার হাজার পর্যটক রামপুরহাট জংশন থেকে ট্রেনে ওঠেন নামেন। অধিকাংশ এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজ রামপুরহাটে। ফলে আশপাশের এলাকার বহু যাত্রী এই স্টেশনেই আসেন ট্রেন ধরতে। এছাড়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পর্যটন কেন্দ্র ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কর্মভূমি শান্তিনিকেতনের প্রবেশদ্বার হল বোলপুর স্টেশন। এই স্টেশনেও প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রীর ভিড় লেগেই থাকে। অন্যদিকে বহু প্রাচীন সাঁইথিয়া জংশন বীরভূম জেলার তৃতীয় ব্যস্ততম রেলওয়ে স্টেশন। এখান থেকে অন্ডাল যাওয়ার শাখা লাইন থাকায় নিত্যদিন হাজার হাজার যাত্রী এই জংশন ব্যবহার করেন। গুরুত্বপূর্ণ এই স্টেশনগুলিতে ট্রেন ইন্ডিকেশন বোর্ড ছিল না। ফলে ট্রেন ধরতে এসে হয়রানির মুখে পড়ত হয় যাত্রীদের।
পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছে, এই স্টেশনগুলিতে টিআইবি স্থাপনের লক্ষ্য হল, ট্রেনের সময়সূচি, প্ল্যাটফর্ম নম্বর, বিলম্ব এবং বাতিলকরণ সম্পর্কে যাত্রীদের তথ্য দেওয়া। এই স্টেশনগুলির নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলিতে টিআইবি বোর্ড বসানো হবে। যাতে যাত্রীরা সহজেই তাঁদের ট্রেন সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য যেমন, ক’টায় ট্রেন আসবে, লেট আছে কি না, কোন প্ল্যাটফর্মে আসবে ইত্যাদি জানতে পারবেন। যাত্রী নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। যাত্রীরা তাঁদের যাত্রা পরিকল্পনা করতে এবং বিনা ঝামেলায় ট্রেনে উঠতে পারবেন। টিআইবির বাস্তবায়ন যাত্রী চলাচলকে সুগম করবে। সেই সঙ্গে প্ল্যাটফর্মে যানজটও কমবে।



