সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: রেললাইনের ধার থেকে দুই বান্ধবীর দেহ উদ্ধারকে ঘিরে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। নাবালিকা দুই ছাত্রী ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গিয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে। শনিবার বিকেলে দু’জনেই টিউশনে যাচ্ছি বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল। তারপর কীভাবে রেললাইনের ধার থেকে তাদের পাওয়া গেল, সেটাই ভাবাচ্ছে পরিবার এবং তদন্তকারীদের। রবিবার সকালে কুলপি থানার নিশ্চিন্তপুর এবং করঞ্জলি স্টেশনের মাঝে ওই দুই বান্ধবীর খণ্ডবিখণ্ড দেহ উদ্ধার করে জিআরপি। পুলিস জানিয়েছে, মৃত দুই বান্ধবীর নাম সুমিতা দাস এবং সোমা জানা (১৭)। দু’জনেই কাকদ্বীপের জলট্যাঙ্ক এলাকায় থাকে। হারউড কোস্টাল থানার পুলিস তদন্তে নেমে প্রথমে তাদের তিন বন্ধুকে আটক করে। দীর্ঘক্ষণ জেরা করার পর রবিবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের নাম দীপঙ্কর দাস, শরৎ মণ্ডল ও সুমন দাস।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট দিয়ে দুই বান্ধবী স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরেছিল। এরপরই তারা টিউশন পড়তে যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও কেউ না ফেরায় চিন্তায় পড়ে যায় পরিবার। তারা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করে। কিন্তু কোথাও মেয়েদের খোঁজ মেলেনি। পরে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, সেদিন সন্ধ্যায় কোনও টিউশন ক্লাসই ছিল না। আরও দুশ্চিন্তায় পড়ে যান তাঁরা। অবশেষে গভীর রাতে দুই ছাত্রীর বাড়ির লোকজন থানার দ্বারস্থ হন। এরপর রবিবার সকালে রেললাইনের ধার থেকে উদ্ধার হওয়া দু’টি দেহ শনাক্ত করতে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয় সোমা ও সুমিতার পরিবারকে। পোশাক ও ব্যাগ দেখে চিহ্নিত করেন তাঁরা।
এটা নিছকই আত্মহত্যা, নাকি খুন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রশ্ন রয়েছে দুই পরিবারের লোকজনের মধ্যেও। দু’জনে একসঙ্গে রাতে কেন এত দূরে গেল? তারা কি একসঙ্গে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল? এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে? হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার পুলিস পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে সুমিতা ও সোমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিস। সোমার জেঠু নির্মল জানা বলেন, বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ দু’জনে টিউশন পড়তে যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে ফেরার কথা ছিল। দেরি হওয়ায় চিন্তা হচ্ছিল। পরে জানতে পারি এই ঘটনা।
এটা নিছকই আত্মহত্যা, নাকি খুন, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। প্রশ্ন রয়েছে দুই পরিবারের লোকজনের মধ্যেও। দু’জনে একসঙ্গে রাতে কেন এত দূরে গেল? তারা কি একসঙ্গে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল? এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে? হারউড পয়েন্ট কোস্টাল থানার পুলিস পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এদিকে, যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাদের সঙ্গে সুমিতা ও সোমার প্রেমের সম্পর্ক ছিল কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিস। সোমার জেঠু নির্মল জানা বলেন, বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ দু’জনে টিউশন পড়তে যাওয়ার নাম করে বেরিয়ে গিয়েছিল। সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে ফেরার কথা ছিল। দেরি হওয়ায় চিন্তা হচ্ছিল। পরে জানতে পারি এই ঘটনা।



