চেন্নাই, ৬ নভেম্বর: ব্যাস্ত রেল স্টেশনে একটি বিশাল ট্রলি ব্যাগ রেখে দিয়েই চম্পট দিচ্ছেন এক ব্যক্তি! সঙ্গী এক নাবালিকা। বিষয়টি চোখে পড়তেই সন্দেহ হয় আশপাশের যাত্রীদের। সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন যাত্রী গিয়ে খবর দেন আরপিএফ-এ। রেল পুলিস এসে ওই দু’জনকে পাকড়াও করে ট্রলিটি খোলাতেই চক্ষু চড়কগাছ সকলের! ট্রলির মধ্যে মৃতদেহ! ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর মিঞ্জুর রেল স্টেশনে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে অভিযুক্ত বাবা ও মেয়ে মিলে একটি স্যুটকেস নিয়ে মিঞ্জুর রেল স্টেশনে এসে হাজির হয়। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরেই তাঁরা স্যুটকেসটি রেখে স্টেশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু বিষয়টি অন্য যাত্রীদের নজরে আসতেই বাঁধে গণ্ডগোল। স্যুটকেসটি বহরে এতটাই বিশাল ছিল যে, সেটি কেউ ভুলে ফেলে যেতে পারে, এমনটা বিশ্বাস করা যায়নি। খবর দেওয়া হয় রেল পুলিসে। আরপিএফ-এর উপস্থিতিতেই সেই স্যুটকেসের তালা খোলা হয়। তারপর যা দেখা গেল তা দেখে হতবাক উপস্থিত সকলেই। ট্রলিটির ভিতরে চাদর মোড়া এক বৃদ্ধার মৃতদেহ!
তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, বছর ৬৫-র মৃত ওই মহিলা অভিযুক্তদের প্রতিবেশী ছিলেন। তাঁর দেহের পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বছর ৪৩-এর বালাসুব্রামানিয়াম এবং তাঁর ১৭ বছরের মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান, সোনার গয়নার লোভেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছিল অভিযুক্তরা। এরপর সিনেমার কায়দায় লাশ গুম করে দেওয়া ফন্দি আঁটেন তারা। সেই মত কাজও প্রায় হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত যাত্রীদের সচেতনতাতেই সব শেষ।
তদন্তে পুলিস জানতে পেরেছে, বছর ৬৫-র মৃত ওই মহিলা অভিযুক্তদের প্রতিবেশী ছিলেন। তাঁর দেহের পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই বছর ৪৩-এর বালাসুব্রামানিয়াম এবং তাঁর ১৭ বছরের মেয়েকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিসের অনুমান, সোনার গয়নার লোভেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছিল অভিযুক্তরা। এরপর সিনেমার কায়দায় লাশ গুম করে দেওয়া ফন্দি আঁটেন তারা। সেই মত কাজও প্রায় হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত যাত্রীদের সচেতনতাতেই সব শেষ।



