নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: এবার খরিফে রেকর্ড পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হতে চলেছে বলে আশা কেন্দ্রীয় সরকারের। যার পরিমাণ ১৬৪.৭ মিলিয়ন টন। রাজ্যগুলির থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রাথমিক সম্ভাব্য এই উৎপাদনের তথ্য দিয়েছে কৃষিমন্ত্রক। গতবার যা ছিল ১৫৫.৭ মিলিয়ন টন।
Advertisement
তবে সরকারের এই আগাম আন্দাজ ঠিক হবে তো? তা নিয়ে সরকারের অন্দরেই রয়েছে সংশয়। তাই উৎপাদন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে রাজ্যের দেওয়া রিপোর্টের বাইরেও উপগ্রহ তথ্য এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে তা যাচাই করা হচ্ছে। একইসঙ্গে খাদ্যশস্য সংক্রান্ত বেসরকারি কোম্পানির থেকেও রিপোর্ট নিচ্ছে সরকার। বেসরকারি বেশ কিছু সংস্থা ফসলের উৎপাদনকে মাথায় রেখে আবহাওয়ার ওপর নজর রাখে।
কৃষিমন্ত্রক জানিয়েছে, এবার খরিফে ১১৯.৯ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হবে বলে আশা। গতবার হয়েছিল ১১৩.২ মিলিয়ন টন। একইভাবে ভুট্টার উৎপাদনও রেকর্ড করতে চলেছে। গতবার হয়েছিল ২২.২ মিলিটন টন। এবার হতে পারে ২৪.৫ মিলিয়ন টন। তবে ডালের সার্বিক উৎপাদন তেমন বাড়ছে না বলে মনে করা হচ্ছে। এবার খরিফে ৬.৯ মিলিয়ন টন মতো ডাল উৎপন্ন হতে পারে বলে সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে।
খাদ্যশস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার তিনবার অগ্রিম হিসেব কষে। যাকে বলে অ্যাডভান্স এস্টিমেট। রাজ্যগুলির থেকে হিসেব নিয়ে তা একত্র করে। গত বছর তৃতীয় অগ্রিম হিসেবে খরিফ মরসুমে ১১৪.৩ মিলিয়ন টন ধান উৎপন্ন হতে পারে বলে রিপোর্ট এলেও আদতে ফাইনাল হিসেবে হয়েছিল কম। ১১৩.২ মিলিয়ন টন। একইভাবে খরিফের সার্বিক উৎপাদন ১৫৬.৬ মিলিনয় টন আন্দাজ করা হলেও আদতে হয়েছিল ১৫৫.৭ মিলিয়ন টন। এদিকে, রেশনে ৮০ কোটি গরিবের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে গড়ে ৬০.৭৪ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য লাগে। তাই উৎপাদনে যাতে কোনওভাবে টান না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে আগাম হিসেবের ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলির তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে চায় কেন্দ্র।
কৃষিমন্ত্রক জানিয়েছে, এবার খরিফে ১১৯.৯ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হবে বলে আশা। গতবার হয়েছিল ১১৩.২ মিলিয়ন টন। একইভাবে ভুট্টার উৎপাদনও রেকর্ড করতে চলেছে। গতবার হয়েছিল ২২.২ মিলিটন টন। এবার হতে পারে ২৪.৫ মিলিয়ন টন। তবে ডালের সার্বিক উৎপাদন তেমন বাড়ছে না বলে মনে করা হচ্ছে। এবার খরিফে ৬.৯ মিলিয়ন টন মতো ডাল উৎপন্ন হতে পারে বলে সরকারের কাছে রিপোর্ট জমা পড়েছে।
খাদ্যশস্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার তিনবার অগ্রিম হিসেব কষে। যাকে বলে অ্যাডভান্স এস্টিমেট। রাজ্যগুলির থেকে হিসেব নিয়ে তা একত্র করে। গত বছর তৃতীয় অগ্রিম হিসেবে খরিফ মরসুমে ১১৪.৩ মিলিয়ন টন ধান উৎপন্ন হতে পারে বলে রিপোর্ট এলেও আদতে ফাইনাল হিসেবে হয়েছিল কম। ১১৩.২ মিলিয়ন টন। একইভাবে খরিফের সার্বিক উৎপাদন ১৫৬.৬ মিলিনয় টন আন্দাজ করা হলেও আদতে হয়েছিল ১৫৫.৭ মিলিয়ন টন। এদিকে, রেশনে ৮০ কোটি গরিবের পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে গড়ে ৬০.৭৪ মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য লাগে। তাই উৎপাদনে যাতে কোনওভাবে টান না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে আগাম হিসেবের ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থাগুলির তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে চায় কেন্দ্র।



