নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত তিন বছরে এরাজ্যে পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫ শতাংশ বেড়েছে। বুধবার বণিকসভা সিআইআই আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করলেন রাজ্যে অচিরাচরিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ দপ্তরের মন্ত্রী গোলাম রব্বানি। তিনি বলেন, বর্তমানে এই বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেড়ে ২ হাজার ১০০ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে। দেশজুড়ে অচিরাচরিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে বাংলাও শামিল হয়েছে। যেমন, ছাদের উপর প্যানেল বসিয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের যে প্রকল্প চালু হয়েছে, তা এখনও পর্যন্ত ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষম। পাশাপাশি ওয়েস্ট বেঙ্গল গ্রিন এনার্জি করিডর প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যের গ্রিডে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছে।
Advertisement
বণিকসভার ওই অনুষ্ঠানে অচিরাচরিত ও পুনর্নবীকরণযোগ্য বিদ্যুৎ দপ্তরের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মুখ্যসচিব বরুণ রায় বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে রাজ্যে যত বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, তার ৩০ শতাংশ দখল করবে অচিরাচরিত শক্তি। এমনই লক্ষ্যমাত্রা রেখেছে সরকার। তিনি দাবি করেন, রাজ্যে বার্ষিক পাঁচ শতাংশ হারে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ছে।
কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, রাজ্যগুলি যে বিদ্যুৎ কিনবে, সেখানে অচিরাচরিত শক্তির ভাগ বাড়াতে হবে। বর্তমানে যেখানে এই ধরনের বিদ্যুৎ ৩০ শতাংশ কিনতে হয়, ২০২৯-’৩০ অর্থবর্ষের মধ্যে সেই হার ৫০ শতাংশে নিয়ে যেতে হবে। এর ফলে ২০২৬-’২৭ অর্থবর্ষে রাজ্যকে অচিরাচরিত শক্তি অন্তত ১৫ গিগাওয়াট কিনতে হবে। ২০৩১-’৩২ অর্থবর্ষে তা বেড়ে ২৫ গিগাওয়াট হতে পারে। বরুণবাবু এদিন দাবি করেছেন, সল্টলেক সেক্টর ফাইভকে তাঁরা কম কার্বন নির্গমন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং সেই মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এখানে পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবহারে জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সুন্দরবন এলাকাতেও যাতে কম দূষণকারী শক্তির ব্যবহার বাড়ানো যায়, তারও চেষ্টা চলছে।
কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, রাজ্যগুলি যে বিদ্যুৎ কিনবে, সেখানে অচিরাচরিত শক্তির ভাগ বাড়াতে হবে। বর্তমানে যেখানে এই ধরনের বিদ্যুৎ ৩০ শতাংশ কিনতে হয়, ২০২৯-’৩০ অর্থবর্ষের মধ্যে সেই হার ৫০ শতাংশে নিয়ে যেতে হবে। এর ফলে ২০২৬-’২৭ অর্থবর্ষে রাজ্যকে অচিরাচরিত শক্তি অন্তত ১৫ গিগাওয়াট কিনতে হবে। ২০৩১-’৩২ অর্থবর্ষে তা বেড়ে ২৫ গিগাওয়াট হতে পারে। বরুণবাবু এদিন দাবি করেছেন, সল্টলেক সেক্টর ফাইভকে তাঁরা কম কার্বন নির্গমন এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন এবং সেই মতো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এখানে পরিবেশ বান্ধব বিদ্যুৎ ব্যবহারে জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সুন্দরবন এলাকাতেও যাতে কম দূষণকারী শক্তির ব্যবহার বাড়ানো যায়, তারও চেষ্টা চলছে।



