সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: প্রথমদিন এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে রাইটার বা শ্রুতিলেখক দিয়ে পরীক্ষা দিতে দিলেও মঙ্গলবার, দ্বিতীয়দিনে ঘটে বিপত্তি। ঘটনাটি ঘটে হলদিবাড়ি ব্লকের নব কিশোর হাইস্কুলে। ফলে সমস্যার সম্মুখীন হয় ওই ছাত্র তার পরিবার। যদিও পরে সুরাহা হয়।
Advertisement
প্রসঙ্গত, সোমবার হলদিবাড়ি হাইস্কুলের ছাত্র মুকুল হক হাতভাঙা অবস্থায় নব কিশোর হাইস্কুলে পরীক্ষা দিতে আসে। বিষয়টি লক্ষ্য করেন ডিওয়াইএফের হলদিবাড়ি লোকাল কমিটির সভাপতি ভাস্কর কুণ্ডু। এরপর প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলে ওই ছাত্রের সঙ্গে একজন রাইটারকে পাঠানো হয়। এরপর সোমবার ওই ছাত্র নবম শ্রেণির এক পড়ুয়ার নথিপত্র হলদিবাড়ি হাইস্কুল জমা করে। রাইটার হিসেবে তাকে নিয়ে পরীক্ষা দেয়। কিন্তু এদিন ইংরেজি পরীক্ষায় ওই ছাত্রকে পরীক্ষার হলে ঢুকতে দেওয়া হলেও তার রাইটারকে প্রথমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এতে বিপাকে পড়ে ওই ছাত্র। এরপর ভাস্করবাবু ফের স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে রাইটারকে ঢোকানোর ব্যবস্থা করেন। এতে ২০ মিনিট দেরি হয়। যদিও নব কিশোর হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ ওই ছাত্রকে ২০ মিনিট বেশি সময় পরীক্ষা দিতে দেয়।
এ বিষয়ে পরীক্ষার্থী মুকুল হক বলে, কী হবে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। ২০ মিনিট পর রাইটারকে হলে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়। যদিও স্কুল আমাকে ২০ মিনিট বেশি সময় দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। মুকুলের বাবা আবু সিদ্দিক বলেন, কয়েকদিন আগে ছেলের হাত ভাঙে। সোমবার প্রথম পরীক্ষা ছেলে রাইটার দিয়ে দিয়েছে। এদিন রাইটারকে নিয়ে গেলে প্রথমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। আমি চাই, আগামী পরীক্ষাগুলিও যাতে রাইটার দিয়েই ছেলে পরীক্ষা দিতে পারে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্ষকে রাইটারের বিষয়টি জানতে হয়। ওদিক থেকে অনুমতি পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও মেখলিগঞ্জের মহকুমা শাসক অতনুকুমার মণ্ডল জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবেন।
এ বিষয়ে পরীক্ষার্থী মুকুল হক বলে, কী হবে কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। ২০ মিনিট পর রাইটারকে হলে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়। যদিও স্কুল আমাকে ২০ মিনিট বেশি সময় দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ। মুকুলের বাবা আবু সিদ্দিক বলেন, কয়েকদিন আগে ছেলের হাত ভাঙে। সোমবার প্রথম পরীক্ষা ছেলে রাইটার দিয়ে দিয়েছে। এদিন রাইটারকে নিয়ে গেলে প্রথমে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে ঢুকতে দেওয়া হয়েছে। আমি চাই, আগামী পরীক্ষাগুলিও যাতে রাইটার দিয়েই ছেলে পরীক্ষা দিতে পারে।
স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পর্ষকে রাইটারের বিষয়টি জানতে হয়। ওদিক থেকে অনুমতি পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যদিও মেখলিগঞ্জের মহকুমা শাসক অতনুকুমার মণ্ডল জানান, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখবেন।



