নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ধান বিক্রি করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার কৃষকরা। সেন্ট্রালাইজড প্রকিওরমেন্ট সেন্টারগুলিতে (সিপিসি) এখন ডাঁই হয়ে জমে রয়েছে আগের ধান। রাইস মিলগুলি গাড়ি না পাঠানোয় আগের ধান যেমনকার তেমনই পড়ে রয়েছে। উপচে পড়ছে গুদামঘর। এই অবস্থায় কৃষকদের কাছ থেকে নতুন করে ধান কিনতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে সিপিসি। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে, ধান বিক্রি করতে পারছেন না কৃষকরা। অনেকেই না জেনে ভ্যান ভাড়া করে বস্তা বস্তা ধান নিয়ে এলেও ফিরে যেতে হচ্ছে। অনেক সময় ধান বিক্রির দিন আগাম জানানো হলেও পরে পরিস্থিতির চাপে কৃষকদের না আসার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বহুদিন হয়ে গেল, রাইস মিলগুলি গাড়ি পাঠিয়ে ধান নিয়ে যাচ্ছে না। যেকারণে সিপিসিতে এখন ধান রাখার জায়গার অভাব। জায়গা না মেলায় তারা আপাতত কৃষকদের থেকে ধান কেনা কার্যত বন্ধ রেখেছে। এতে আখেরে সমস্যায় পড়েছেন কৃষকরা। বিঘ্নিত হচ্ছে গোটা প্রক্রিয়া। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা জুড়ে এমনই চিত্র উঠে এসেছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সিপিসির সঙ্গে জেলার রাইস মিলগুলিকে যুক্ত করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্রয় কেন্দ্র ঘুরে দেখা গিয়েছে, কোথাও কোথাও অনিয়মিতভাবে চলছে ধান কেনার কাজ। রাইস মিলগুলি হঠাৎ হঠাৎ জানিয়ে দিচ্ছে, তারা গাড়ি পাঠাতে পারবে না। এর ফলে টাকা খরচ করে কৃষকরা ধান নিয়ে সিপিসিতে এলেও ফিরে যেতে হচ্ছে। পরে আবার ভ্যান ভাড়া করে আসতে হচ্ছে। এ নিয়ে জেলার খাদ্যদপ্তরকে জানানো হলেও কোনও সমাধান সূত্র বের হয়নি। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে কৃষকরা সরকারি জায়গার বদলে অন্যত্র ধান বিক্রি করতে পারেন বলে আশঙ্কা। কারণ তাঁরা বেশিদিন ঘরে ধান রাখার পক্ষপাতী নন।
জেলার খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার ছ’টি রাইস মিল বিভিন্ন সিপিসির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। চারটি নিয়ে সমস্যা থাকায় তাদের এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তাই অসুবিধা হচ্ছিল। তবে আরও রাইস মিলকে যাতে বিভিন্ন সিপিসির সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়া শেষ হলেই আর সমস্যা থাকবে না। তবে কতদিনে এই প্রক্রিয়া শেষ হবে, তা স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি জেলার খাদ্যদপ্তর।
জেলার খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার ছ’টি রাইস মিল বিভিন্ন সিপিসির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। চারটি নিয়ে সমস্যা থাকায় তাদের এই কাজে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। তাই অসুবিধা হচ্ছিল। তবে আরও রাইস মিলকে যাতে বিভিন্ন সিপিসির সঙ্গে যুক্ত করা যায়, তার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সেই প্রক্রিয়া শেষ হলেই আর সমস্যা থাকবে না। তবে কতদিনে এই প্রক্রিয়া শেষ হবে, তা স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি জেলার খাদ্যদপ্তর।



