নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নতুন বছরে ভারত পা রাখল ঋণের পাহাড় মাথায় নিয়ে। বাড়ছে পার্সোনাল লোন। গৃহঋণ কিন্তু বাড়ছে না। আগস্ট মাস থেকে গৃহঋণ কমছে। কিন্তু যা বাড়ছে সেটি হল, গৃহঋণ পরিশোধ করতে না পারার প্রবণতা। সামগ্রিকভাবে ২০২৪ সালে ঋণের পরিমাণও যেমন বেড়েছে, তেমনই বেড়েছে ঋণ পরিশোধ করতে না পারার প্রবণতা। বছরের শেষ লগ্নে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক স্বীকার করেছে যে, ভারতে পরিবারগুলির মধ্যে ঋণ নেওয়ার প্রবণতা বেড়েছে। কিন্তু শুধুই দেশবাসী নয়, ভারত সরকারও ঋণে নিমজ্জিত। ২০২৪ সালের শেষ পর্বে এসে জানা যাচ্ছে, ভারতের বৈদেশি ঋণের পরিমাণ সর্বকালীন রেকর্ড গড়েছে। টাকার মূল্য ডলারের বিনিময়ে হয়েছে সর্বনিম্ন।
Advertisement
রিজার্ভ ব্যাঙ্কের রিপোর্টে সবথেকে উদ্বেগজনক বার্তা হল, সাধারণ মানুষ যে লোন নিচ্ছে, সেটি পরিশোধ করতে না পারা। এই প্রবণতা মার্চ মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বরে দ্বিগুণ হয়েছে। এক মাস থেকে ৬ মাস পর্যন্ত লোন বকেয়া পড়েছে এই প্রবণতা উত্তরোত্তর বেড়েছে। আগস্ট মাসে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক প্রত্যেকটি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিল যে, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে সংযত ও সতর্ক থাকতে হবে। কারণ গোটা দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি উভয় সেক্টরের ব্যাঙ্কের ঋণখেলাপি হার দ্রুত বাড়ছে। সাধারণত এই সেক্টর খুব বেশি ঋণ খেলাপ করে না। কারণ ভোগ্যপণ্য ক্রয়, বাড়ি কেনা এবং পার্সোনাল লোন, এই তিনটি সেক্টরের লোন সাধারণ মানুষ সবথেকে বেশি নেয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি নেওয়া হয় পার্সোনাল লোন। গৃহঋণ বাড়লেও, বৃদ্ধির হার কমেছে। ১০ লক্ষ টাকার বেশি লোন নেওয়ার যে হার ছিল, সেটা কমে গিয়েছে। বেড়েছে ১ লক্ষ টাকার মধ্যে থাকা লোন। বড় ঝুঁকি কেউ নিতে চাইছে না। যারা নিয়েছে তাদের মধ্যে বড় অংশের বেহাল দশা। কারণ তারা লোন পরিশোধ করতে পারছেন না।
সোমবার অর্থমন্ত্রকের সঙ্গে প্রাকবাজেট বৈঠকে সরকারকে কড়া বার্তা দিয়ে তাবৎ শিল্পমহল বলেছে, মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে হবে। পেট্রপণ্যের উপর কেন্দ্রীয় শুল্ক কমাতে হবে। ১০০ দিনের কাজের মজুরি বাড়ানো দরকার। আয়কর ছাড় প্রয়োজন। মানুষের হাতে টাকা না থাকলে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে না। দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালে পারিবারিক লোন নেওয়ার পরিমাণ মোট জিডিপির ৪২ শতাংশ। বহু বছর পর দেশে বাড়ছে মর্টগেজ লোন। একদিকে সাধারণ মানুষের লোন নেওয়া ওবং তা পরিশোধ করতে না পারার নিরাশজনক আবহ, অন্যদিকে, ভারত সরকারের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে চলা। ২০২৪ সালে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭১ হাজার ১১৮ কোটি ডলার। যা ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ছিল ৬৩ হাজার ৭১০ কোটি ডলার। ২০২৪ সালের জুন মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে ঋণ বেড়েছে ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ তৃতীয়বার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর মোদি সরকার দেশকে বৈদেশিক ঋণের শিখরে তোলার ব্যবস্থা করেছেন। সাধারণ মানুষ বেঁচে থাকার জন্য ঋণ নিচ্ছে। ভারত সরকার অর্থনীতি রক্ষায় ঋণ নিচ্ছে। বর্ষবরণে ভারত নিমজ্জিত ঘরে বাইরের ঋণে।
সোমবার অর্থমন্ত্রকের সঙ্গে প্রাকবাজেট বৈঠকে সরকারকে কড়া বার্তা দিয়ে তাবৎ শিল্পমহল বলেছে, মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে হবে। পেট্রপণ্যের উপর কেন্দ্রীয় শুল্ক কমাতে হবে। ১০০ দিনের কাজের মজুরি বাড়ানো দরকার। আয়কর ছাড় প্রয়োজন। মানুষের হাতে টাকা না থাকলে অর্থনীতি চাঙ্গা হবে না। দেখা যাচ্ছে, ২০২৪ সালে পারিবারিক লোন নেওয়ার পরিমাণ মোট জিডিপির ৪২ শতাংশ। বহু বছর পর দেশে বাড়ছে মর্টগেজ লোন। একদিকে সাধারণ মানুষের লোন নেওয়া ওবং তা পরিশোধ করতে না পারার নিরাশজনক আবহ, অন্যদিকে, ভারত সরকারের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে চলা। ২০২৪ সালে বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ৭১ হাজার ১১৮ কোটি ডলার। যা ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ছিল ৬৩ হাজার ৭১০ কোটি ডলার। ২০২৪ সালের জুন মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে ঋণ বেড়েছে ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ তৃতীয়বার ক্ষমতাসীন হওয়ার পর মোদি সরকার দেশকে বৈদেশিক ঋণের শিখরে তোলার ব্যবস্থা করেছেন। সাধারণ মানুষ বেঁচে থাকার জন্য ঋণ নিচ্ছে। ভারত সরকার অর্থনীতি রক্ষায় ঋণ নিচ্ছে। বর্ষবরণে ভারত নিমজ্জিত ঘরে বাইরের ঋণে।



