


•প্রশ্ন অনেক। উত্তর অধরা। অভিজিৎ মোহন ওরাঙ-এর ‘আখরি সওয়াল’ শেষ পর্যন্ত কোন উত্তরের প্রত্যাশী সেটা অমীমাংসিতই রয়ে গেল। বৃহস্পতিবার শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে ছবির প্রচারে বসে পরিচালক প্রশ্নের জবাবে জানালেন, ‘এটা ভারতীয়দের ছবি। যে ভারতীয়রা জানতে চান ইমারজেন্সি কি়ংবা বাবরি মসজিদ ধ্বংসের প্রকৃত কারণ কী?’
ছবির কেন্দ্রে ভিকি। সে মেধাবী কিন্তু ডাকাবুকো স্বভাবের গবেষক। প্রকাশ্যে নিজেরই গুরু, প্রখ্যাত অধ্যাপক গোপাল নাডকর্ণীর (সঞ্জয় দত্ত) বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক পক্ষপাতের অভিযোগ তোলে। আর সেই অভিযোগ ঘিরেই শুরু হয় তুমুল বিতর্ক। মিডিয়ার হইচই, রাজনৈতিক স্বার্থ আর জনমতের সংঘাতে এই দ্বন্দ্ব ক্রমশ রূপ নেয় এক বিপজ্জনক মনস্তাত্ত্বিক খেলায়। তর্ক-বিতর্কের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে আরও গভীর এক রহস্য। ভিকি আসলে কেন এই প্রশ্নগুলো তুলছে? সে উত্তরের সন্ধানে এগিয়েছে ছবির গল্প।
ছবির প্রোটাগনিস্ট ‘ভিকি’ নমোশি চক্রবর্তী। সাংবাদিক সম্মলনে একদিকে বিশেষ অতিথি লকেট চট্টোপাধ্যায়, অন্যদিকে প্রধান অতিথি তথা পিতা মিঠুন চক্রবর্তীর পাশে বসে নমোশি বললেন, ‘সাহসী ছবি। গান্ধী হত্যা হোক, বাবরি মসজিদ ধ্বংস, ভারতে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে ভিকি। মূল বিষয়টা হল প্রশ্ন করার অধিকার। আর উত্তর পাওয়াটাও ততোধিক জরুরি।’
ছবির দুই মহিলা প্রোটাগনিস্ট সমীরা রেড্ডি ও ত্রিধা চৌধুরির মতে এই ছবি আজকের প্রজন্মের জন্য। একইসঙ্গে তাঁদের জন্যও যাঁরা তখন কিছু প্রশ্নের উত্তর পাননি। সব মিলিয়ে এই ছবি দর্শকের ভালো লাগবে বলে আশাবাদী নির্মাতারা।
প্রিয়ব্রত দত্ত ছবি: দীপেশ মুখোপাধ্যায়