মুম্বই: রনজিতে তারকাদের ব্যর্থতার ছবি বদলাল না। রোহিত শর্মা থেকে যশস্বী জয়সওয়াল, শুভমান গিল থেকে ঋষভ পন্থ— ঘরোয়া ক্রিকেটে কারও প্রত্যাবর্তনই সুখের হল না। একমাত্র ব্যতিক্রম রবীন্দ্র জাদেজা। বাঁ-হাতি স্পিনারের ঘূর্ণিতে অসহায় দেখাল বিপক্ষ ব্যাটারদের।
Advertisement
মুম্বইয়ের হয়ে ১০ বছর পর রনজি খেলছেন রোহিত। জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে তাঁর সংগ্রহ ছিল ৩। শুক্রবার দ্বিতীয় ইনিংসে ঝোড়ো ব্যাটিং করলেও ২৮ রানেই থামলেন হিটম্যান। তার মধ্যে ছিল তিনটি ছক্কা। যশস্বীর সঙ্গে প্রথম উইকেটে রোহিত যোগ করেন ৫৪। কিন্তু তারপরই ঘটে ছন্দপতন। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে ভারত অধিনায়কের এই ফর্ম চিন্তায় রাখবে সমর্থকদের। যশস্বীও বেশিক্ষণ থাকেননি। তাঁর সংগ্রহ ২৬। শ্রেয়স আয়ার প্রথম ইনিংসে ১১-র পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেন ১৭। মুম্বই অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানের দুই ইনিংসের স্কোর যথাক্রমে ১২ ও ১৬। দ্বিতীয় ইনিংসে এক সময় ১০১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল মুম্বই। সেখান থেকে পরিত্রাতা হয়ে ওঠেন শার্দূল ঠাকুর। প্রথম ইনিংসে তিনি করেছিলেন ৫১। এদিন পিঠ ঠেকে যাওয়া পরিস্থিতিতে শার্দূল নট আউট থাকলেন ১১৩ রানে। সঙ্গে পেলেন তনুশ কোটিয়ানকে (৫৮ ব্যাটিং)। দিনের শেষে মুম্বইয়ের স্কোর ৭ উইকেটে ২৭৪। আপাতত ১৮৮ রানের লিড নিয়েছে তারা।
কর্ণাটকের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮ রান করেছিলেন শুভমান গিল। দ্বিতীয় ইনিংসে পাঞ্জাবের ওপেনারটি ক্রিজে রয়েছেন ৭ রানে। এখনও ৩৯৬ রানে পিছিয়ে তাঁর দল। অপর ম্যাচে দিল্লিকে ১০ উইকেটে হারাল সৌরাষ্ট্র। ঋষভ পন্থ প্রথম ইনিংসে ১ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ফিরলেন ১৭ রানে। মাত্র ৯৪ রানে শেষ হয় দিল্লির দ্বিতীয় ইনিংস। ৩৮ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট নেন বিধ্বংসী জাদেজা। প্রথম ইনিংসে তিনি নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। ম্যাচে জাড্ডুর শিকারসংখ্যা ১২। ব্যাট হাতে ৩৮ রানও করেছিলেন তিনি। সৌরাষ্ট্রের জয়ের নায়ক তাই অবধারিতভাবেই জাদেজা। তবে এই ম্যাচে রান পাননি সৌরাষ্ট্রের চেতেশ্বর পূজারাও। প্রথম ইনিংসে তিনি ফেরেন মাত্র ৬ রানে। কর্ণাটকের অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল আবার পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে করেন মাত্র ২০। বরোদার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১০। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ৬৬ রানে ক্রিজে রয়েছেন।
কর্ণাটকের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে মাত্র ৮ রান করেছিলেন শুভমান গিল। দ্বিতীয় ইনিংসে পাঞ্জাবের ওপেনারটি ক্রিজে রয়েছেন ৭ রানে। এখনও ৩৯৬ রানে পিছিয়ে তাঁর দল। অপর ম্যাচে দিল্লিকে ১০ উইকেটে হারাল সৌরাষ্ট্র। ঋষভ পন্থ প্রথম ইনিংসে ১ করার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ফিরলেন ১৭ রানে। মাত্র ৯৪ রানে শেষ হয় দিল্লির দ্বিতীয় ইনিংস। ৩৮ রানের বিনিময়ে ৭ উইকেট নেন বিধ্বংসী জাদেজা। প্রথম ইনিংসে তিনি নিয়েছিলেন ৫ উইকেট। ম্যাচে জাড্ডুর শিকারসংখ্যা ১২। ব্যাট হাতে ৩৮ রানও করেছিলেন তিনি। সৌরাষ্ট্রের জয়ের নায়ক তাই অবধারিতভাবেই জাদেজা। তবে এই ম্যাচে রান পাননি সৌরাষ্ট্রের চেতেশ্বর পূজারাও। প্রথম ইনিংসে তিনি ফেরেন মাত্র ৬ রানে। কর্ণাটকের অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল আবার পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে করেন মাত্র ২০। বরোদার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র অধিনায়ক ঋতুরাজ গায়কোয়াড় প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১০। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ৬৬ রানে ক্রিজে রয়েছেন।



