নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল ব্যান্ডেলের ইএসআই হাসপাতালে। রবিবার দুপুরে দীর্ঘসময় ধরে মৃতের আত্মীয়রা তুমুল বিক্ষোভ দেখান। পরে পুলিস এসে পরিস্থিতি আয়ত্তে আনে। রোগীর মৃত্যুতে গাফিলতি ও হাসপাতাল কর্মীদের ব্যবহার নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম কিরণ সাউ (৪৫)। তিনি মগরার বাসিন্দা। এদিন ভোররাতে তাঁকে আইসিসিইউতে স্থানান্তর করেছিলেন চিকিৎসকরা। সকালেই তিনি মারা যান। পেটে ব্যথার উপসর্গ নিয়ে ১০ দিন আগে ভর্তি হন তিনি। তাঁরা এই মৃত্যু মেনে নিতে পারেননি। দুপুরের দিকে তাঁরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। এমনকী, উপযুক্ত বিচার না পেলে তাঁরা মৃতদেহ না নেওয়ারও হুমকি দেন। শেষ পর্যন্ত পুলিস এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
Advertisement
চন্দননগর কমিশনারেটের পুলিস জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এনিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনও বিবৃতি দিতে চায়নি। তবে হাসপাতাল প্রশাসন দাবি করেছে, ওই রোগীর পরিবার গাফিলতির অভিযোগ তুললেও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি। রোগীর চিকিৎসায় কোনও গাফিলতি হয়নি। যখন যেমন পদক্ষেপ করা প্রয়োজন ছিল, তাই করা হয়েছে। এদিন মৃতের মেয়ে রূপা সাউ বলেন, ‘মায়ের কী হয়েছিল, সেটা পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়নি। গত দশদিন ধরে চিকিৎসা চলেছে, তারা একবারও বলেনি যে, রোগীর অবস্থা খারাপ। যদি সমস্যা থাকত, তবে অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতাম। ডাক্তাররা কথা পর্যন্ত বলেননি। হাসপাতাল কর্মীরাও খুব খারাপ ব্যবহার করেছেন। হাসপাতালের গাফিলতিতেই আমার মা মারা গিয়েছেন। আমি এ নিয়ে যতদূর যেতে হয় যাব, যেখানে প্রয়োজন অভিযোগ করব।’ মৃতের পরিবারের দাবি, গত কয়েকদিন ধরেই চিকিৎসক বা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীর যত্ন নেননি। তাঁর ব্লাড প্রেশার নেমে যাওয়া সহ একাধিক সমস্যা তৈরি হয়েছিল। অথচ পরিবারের কাউকে খবর দেওয়া হয়নি। ১০ দিন ধরে পেটের ব্যথা না কমলেও কোনও বিকল্প পরামর্শ দেওয়া হয়নি।
মৃতের পরিবার ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পেটে তীব্র ব্যথা হয় মগরার বোরোপাড়ার বাসিন্দা গৃহবধূ কিরণ সাউয়ের। গত ৮ জানুয়ারি পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ব্যান্ডেলের ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিবারের দাবি, ভর্তির সময় হাসপাতাল প্রশাসন চিকিৎসা নিয়ে আগ্রহ দেখালেও তারপর থেকেই গাফিলতি শুরু হয়। তাঁরা এ নিয়ে কথা বলতে গেলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কথা বলেনি। এমনকী, রোগীকে অন্যত্র নিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেনি। এই পরিস্থিতিতে রবিবার ভোররাতে রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে ওঠে। দ্রুত তাঁকে আইসিসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। সকালে কিরণদেবী মারা যান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা হাসপাতালে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।
মৃতের পরিবার ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পেটে তীব্র ব্যথা হয় মগরার বোরোপাড়ার বাসিন্দা গৃহবধূ কিরণ সাউয়ের। গত ৮ জানুয়ারি পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ব্যান্ডেলের ইএসআই হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিবারের দাবি, ভর্তির সময় হাসপাতাল প্রশাসন চিকিৎসা নিয়ে আগ্রহ দেখালেও তারপর থেকেই গাফিলতি শুরু হয়। তাঁরা এ নিয়ে কথা বলতে গেলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কথা বলেনি। এমনকী, রোগীকে অন্যত্র নিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেনি। এই পরিস্থিতিতে রবিবার ভোররাতে রোগীর অবস্থা সঙ্কটজনক হয়ে ওঠে। দ্রুত তাঁকে আইসিসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়। সকালে কিরণদেবী মারা যান। খবর ছড়িয়ে পড়তেই পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় বাসিন্দারা হাসপাতালে এসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন।



