নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শুরু হয়েছে গত ২ জানুয়ারি। দিন যত এগিয়েছে, ততই এই কর্মসূচি জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সেবাশ্রয়’ স্বাস্থ্য পরিষেবায় নয়া দিগন্তের উন্মোচন হয়েছে বলে জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। যেখানে শুধু ডায়মন্ডহারবারবাসী কিংবা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসিন্দারা নন, খানাকুল থেকে জলপাইগুড়ির বাসিন্দারাও উপকৃত হচ্ছেন। কর্মসূচির প্রধান উদ্যোক্তা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংকল্প, কাউকে যেন খালি হাতে ফেরত যেতে না হয়। সাধ্যের মধ্যে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়াই মূল লক্ষ্য।
Advertisement
ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে ৭৫ দিন ধরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করেছেন অভিষেক। প্রথম পর্যায়ে ডায়মন্ডহারবার বিধানসভা এলাকায় ৪১টি শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে স্বাস্থ্য পরীক্ষা চলছে। শারীরিক পরীক্ষার পর যাঁদের অবস্থা গুরুতর বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা, তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। বুধবার ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের হরিণডাঙা বিডিও অফিস গ্রাউন্ডে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির ঘুরে দেখেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাধারণ মানুষ কেমন পরিষেবা পাচ্ছেন, সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এছাড়াও আরও দু’টি স্বাস্থ্য পরীক্ষা কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেন অভিষেক। এদিন ফলতার ৪০টি ‘সেবাশ্রয়’ শিবিরে বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন ১২ হাজার ৬৯৮ জন। অভিষেক বলেছেন, চিকিৎসকদের কাজ মানুষকে সুস্থ করে তোলা। আর জনপ্রতিনিধিদের কাজ মানুষের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় সেই কাজটাই করা হচ্ছে। সেবার মাধ্যমে আশ্রয় প্রদান করা। আমাদের এই প্রচেষ্টা যদি সফল হয়, তাহলে ৫-১০ বছর পর লক্ষ্য থাকবে প্রত্যেক বুথে শিবির করার। খানাকুল ও জলপাইগুড়ি থেকে দু’জন শিশু ‘সেবাশ্রয়’ এসেছিল। একজন হাঁটতে পারছে না। অন্যজনের শ্রবণের সমস্যা। দুই শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে পাশে দাঁড়িয়েছেন অভিষেক।



