নিজস্ব প্রতিনিধি, রাগগঞ্জ: বেতনের দাবিতে আরও জোরদার আন্দোলনে সাফাই কর্মীরা। শুক্রবার সকালে রায়গঞ্জ পুরসভার সামনে তাঁরা ঘণ্টাখানেক ধরে বিক্ষোভ করেন। এই অবস্থায় শহরে নিয়মিত সাফসাফাই নিয়ে চরম বেকায়দায় পড়েছে রায়গঞ্জ পুর কর্তৃপক্ষ। এখনও বহু জায়গা থেকে জঞ্জাল সাফাই হয়নি। শহরের মোহনবাটি বাজার, মিলনপল্লি, দেবীনগর, স্টেশন বাজার, স্টেশন রোড, পুর বাসস্ট্যান্ড, রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সহ শহরের প্রায় সব ওয়ার্ড দুর্গন্ধময়। জঞ্জালের স্তূপে ঢেকে গেছে পুরসভার ভ্যাট ও ময়লা তোলার গাড়িগুলি।
Advertisement
এনিয়ে ক্ষুব্ধ নাগরিকরাও। শুক্রবার পুরসভা একটি ট্রাক কোনওরকমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা শুরু করে। বাকি ন’টি গাড়ির কোনওটাই জঞ্জাল সাফাইয়ের কাজে নামেনি। সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চাপানউতোর। বিরোধীদের অভিযোগ, রায়গঞ্জ পুরসভার এই প্রশাসক বোর্ড নাগরিক পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে ব্যর্থ। অবশ্য এই পরিস্থিতির পিছনে পুরসভার আশঙ্কা বিরোধীদের চক্রান্ত রয়েছে।
কয়েকদিন ধরেই পুরসভার সাফাই কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছিল। বিক্ষিপ্তভাবে কর্মবিরতি চলছিল। কিন্তু শুক্রবার সেই ছাই চাপা আগুন জ্বলে ওঠে। শতাধিক কর্মী এদিন জমায়েত করে পুরসভার সামনে বিক্ষোভ দেখায়। পরিস্থিতি ঘোরালো হওয়ার আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে ছুটে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিস। আসেন পুরসভার উপ পুর প্রশাসক অরিন্দম সরকার সহ অন্যান্য কো-অর্ডিনেটররা। অবশেষে বকেয়া মেটানোর আশ্বাসে বিক্ষোভ ওঠে। কিন্তু সাফাইকর্মীদের কেউ এদিনও কাজে যোগ দেননি। তাঁদের দাবি, বকেয়া পারিশ্রমিক না পাওয়া পর্যন্ত কাজে নামবেন না।
রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরসভার সাফাইকর্মীদের বেতন দেওয়া আছে। এছাড়াও রোজগারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুরসভার বিভিন্ন জায়গায় সাফাইয়ে কাজে নিযুক্ত অন্যান্য কর্মীদের ধাপে ধাপে বেতন হচ্ছে। কিন্তু পুর কর্মীদের একাংশ একধরনের ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার। কারণ ৫০ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ পুরসভা হাতে নেওয়ায় বিরোধীরা হিংসায় জর্জরিত। সেজন্য তারা পুর কর্মীদের একংশকে বিপথে চালিত করছে। আমরা আমাদের কাজ করছি। পুর কর্মীদের আমরা বোঝাচ্ছি। তাদের বলেছি সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা। তার আগে পরীক্ষার্থীদের সার্বিক স্বার্থের কথা ভেবে ধারাবাহিকভাবে জঞ্জাল নিষ্কাশনের কাজ করতে। প্রযুক্তিগত সমস্যার জন্য তাঁদের টাকা ঢোকেনি। আশা করছি শীঘ্রই তাঁদের টাকা ঢুকে যাবে।
এপ্রসঙ্গে রায়গঞ্জ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে চুক্তিভিত্তিক হোক বা স্থায়ী কর্মী। সকলেরই সারা মাসের কাজের শেষে পারিশ্রমিক প্রাপ্য। পুরসভা যখন তা দিতে পারছে না, তার মানে নাগরিক পরিষেবা দিতে পুর কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ। সাধারণ সাফাইকর্মীদের বেতন না দিয়ে রায়গঞ্জ পুর কর্তৃপক্ষ কি তাহলে পছন্দের ঠিকাদারদের পওনা মেটাতেই ব্যস্ত?
কয়েকদিন ধরেই পুরসভার সাফাই কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধছিল। বিক্ষিপ্তভাবে কর্মবিরতি চলছিল। কিন্তু শুক্রবার সেই ছাই চাপা আগুন জ্বলে ওঠে। শতাধিক কর্মী এদিন জমায়েত করে পুরসভার সামনে বিক্ষোভ দেখায়। পরিস্থিতি ঘোরালো হওয়ার আশঙ্কায় ঘটনাস্থলে ছুটে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিস। আসেন পুরসভার উপ পুর প্রশাসক অরিন্দম সরকার সহ অন্যান্য কো-অর্ডিনেটররা। অবশেষে বকেয়া মেটানোর আশ্বাসে বিক্ষোভ ওঠে। কিন্তু সাফাইকর্মীদের কেউ এদিনও কাজে যোগ দেননি। তাঁদের দাবি, বকেয়া পারিশ্রমিক না পাওয়া পর্যন্ত কাজে নামবেন না।
রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরসভার সাফাইকর্মীদের বেতন দেওয়া আছে। এছাড়াও রোজগারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে পুরসভার বিভিন্ন জায়গায় সাফাইয়ে কাজে নিযুক্ত অন্যান্য কর্মীদের ধাপে ধাপে বেতন হচ্ছে। কিন্তু পুর কর্মীদের একাংশ একধরনের ঘৃণ্য চক্রান্তের শিকার। কারণ ৫০ কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ পুরসভা হাতে নেওয়ায় বিরোধীরা হিংসায় জর্জরিত। সেজন্য তারা পুর কর্মীদের একংশকে বিপথে চালিত করছে। আমরা আমাদের কাজ করছি। পুর কর্মীদের আমরা বোঝাচ্ছি। তাদের বলেছি সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা। তার আগে পরীক্ষার্থীদের সার্বিক স্বার্থের কথা ভেবে ধারাবাহিকভাবে জঞ্জাল নিষ্কাশনের কাজ করতে। প্রযুক্তিগত সমস্যার জন্য তাঁদের টাকা ঢোকেনি। আশা করছি শীঘ্রই তাঁদের টাকা ঢুকে যাবে।
এপ্রসঙ্গে রায়গঞ্জ পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান তথা কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে চুক্তিভিত্তিক হোক বা স্থায়ী কর্মী। সকলেরই সারা মাসের কাজের শেষে পারিশ্রমিক প্রাপ্য। পুরসভা যখন তা দিতে পারছে না, তার মানে নাগরিক পরিষেবা দিতে পুর কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ। সাধারণ সাফাইকর্মীদের বেতন না দিয়ে রায়গঞ্জ পুর কর্তৃপক্ষ কি তাহলে পছন্দের ঠিকাদারদের পওনা মেটাতেই ব্যস্ত?



