Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রোগীদের সঙ্কট মিটল নদীয়ায়, মজুত রয়েছে ৮০ হাজার বোতল স্যালাইন

রোগীদের সঙ্কট মিটল নদীয়ায়, মজুত রয়েছে ৮০ হাজার বোতল স্যালাইন
  • ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: পুরনো কোম্পানির স্যালাইন বন্ধ হতেই তড়িঘড়ি নতুন কোম্পানির স্যালাইন আনা হল জেলাতে। নদীয়া জেলায় প্রায় ৮০ হাজার নতুন স্যালাইনের বোতল স্টোর করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তা বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহের কাজ শুরু করেছে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। এমনিতেই রাজ্য সরকারের নিষেধাজ্ঞার পর জেলা হাসপাতালগুলোতে স্যালাইনে টান পড়ার আশঙ্কা দেখা গিয়েছিল। তবে বর্তমানে আশঙ্কার কোনও কারণ নেই বলে দাবি জেলা স্বাস্থ্য মহলের। কারণ নদীয়া জেলায় প্রতিদিন সরকারি হাসপাতালগুলোতে গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার স্যালাইনের বোতলের প্রয়োজন। সেই জায়গায় প্রায় পাঁচগুণ অতিরিক্ত স্যালাইন মজুত করা হয়েছে জেলায়। জানা গিয়েছে, বর্তমানে যে সমস্ত স্যালাইনের বোতল ব্যবহার করা হচ্ছে, তা কাচের তৈরি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের দাবি, নতুন এই স্যালাইনের গুণগতমান ভালো।  নদীয়া জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জ্যোতিষচন্দ্র দাস বলেন, ‘আমরা আগেই থেকেই প্রস্তুত ছিলাম। দু’টি কোম্পানির স্যালাইন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সেই সমস্ত স্যালাইন আমাদের জেলাতে বাতিল করা হয়েছে। নতুন কোম্পানির স্যালাইন হাসপাতালগুলোতে পোঁছে যাচ্ছে। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত স্যালাইন মজুত রয়েছে।’
Advertisement
প্রসঙ্গত, বছরের শুরুতেই প্রসূতি মৃত্যু কাণ্ডে রাজ্য তোলপাড় হয়। স্যালাইনের কারণে রোগী মৃত্যুর অভিযোগ নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। তড়িঘড়ি চুক্তিবদ্ধ স্যালাইন প্রস্তুতকারী বেসরকারি সংস্থার স্যালাইন সহ বেশ কিছু সামগ্রী ব্যবহারে না করার জন্য নির্দেশিকা জারি করে স্বাস্থ্য ভবন। ঠিক তার এক মাসেই আরও একটি স্যালাইন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় সরকারের তরফ থেকে। তখন অথই জলে পড়ে যায় জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। কারণ জেলার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হাসপাতালগুলোতে পুরনো স্যালাইন ব্যবহার করা হচ্ছিল। সরকার নিষেধাজ্ঞা জারি করতেই দ্রুত সেগুলো হাসপাতাল থেকে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরে ফিরিয়ে আনা হয়।  বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্কও দেখা দেয়। কারণ, আগে থেকে অনেক জায়গাতেই অতিরিক্ত স্যালাইন মজুত করা হয়নি। কিন্তু নির্দেশিকা আসার সঙ্গে সঙ্গে পুরনো স্যালাইন বাতিল করা হয়। ফলে বিভিন্ন হাসপাতালে স্যালাইনে টান পড়তে শুরু করে।  নদীয়া জেলায় দুটো মহকুমা হাসপাতাল, একটা জেলা হাসপাতাল, তিনটি স্টেট জেনারেল হাসপাতাল এবং ১৭টি গ্রামীণ হাসপাতালে রয়েছে। অর্থাৎ মোট ২২টি হাসপাতালে নতুন কাচের বোতলের স্যালাইন ইতিমধ্যেই পোঁছে যাচ্ছে। খুব শিগগিরই আবার অতিরিক্ত স্টক তোলা হবে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে। 
• নবগ্রামে গাঁজা সহ ধৃত ১: বৃহস্পতিবার বিকেলে নবগ্রাম থানার শিবপুর মোড় লাগোয়া ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে অভিযান চালিয়ে পুলিস প্রচুর গাঁজা সহ এক যুবককে গ্রেপ্তার করল। উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ প্রায় ৩৭ কেজি। ধৃত সন্তোষ বর্মনের বাড়ি জলপাইগুড়ি জেলায়।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ