নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: প্রত্যাঘাতের সাফল্যে ভারতীয় সেনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনারা। সেনাদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ, তাঁদের সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে শুক্রবার গোবরডাঙায় এসে প্রসন্নময়ী কালীমায়ের পুজো দিলেন তাঁরা।
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: প্রত্যাঘাতের সাফল্যে ভারতীয় সেনার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অবসরপ্রাপ্ত সেনারা। সেনাদের প্রতি সমর্থন প্রকাশ, তাঁদের সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে শুক্রবার গোবরডাঙায় এসে প্রসন্নময়ী কালীমায়ের পুজো দিলেন তাঁরা।
‘অপারেশন সিন্দুর’ অভিযানে অগ্রণী ভূমিকায় ছিলেন ভারতীয় সেনার কর্নেল সোফিয়া কুরেশি ও বায়ুসেনার উইং কমান্ডার ব্যোমিকা সিং। নারীশক্তির সাফল্যে বৃহস্পতিবার রাতে উচ্ছ্বাসে মেতেছেন গোবরডাঙার রানিডাঙার মহিলারা। স্থানীয় নারায়ণ মন্দিরে তাঁরা পুজো দেন। সোফিয়া এবং ব্যোমিকার ছবির সঙ্গে সেনা জওয়ান ও ভারতমাতার ছবি হাতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। একে অপরের সঙ্গে সিঁদুর খেলে পাকিস্তানকে পর্যুদস্ত করার আনন্দে ভেসেছেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় সেনাকর্মীর স্ত্রীও।
গোবরডাঙার খাটুরা চক্রবর্তীনাথ এলাকায় থাকেন কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত ভারতীয় সেনাকর্মী। সেখানে তাঁদের ইউনিয়নও রয়েছে। তাঁদের অন্যতম হলেন সত্যজিৎ দে। তিনি অপারেশন পবন, অপারেশন বিজয়, অপারেশন রক্ষক-এ অংশ নিয়েছিলেন সামনে থেকে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন তিনি। এখন সেই সব দিন চোখের সামনে জীবন্ত তাঁর। বর্তমান ভারতীয় সেনার এই দুর্ভেদ্য লড়াইকে সম্মান জানিয়ে শুক্রবার গোবরডাঙার কালীবাড়িতে ভারতীয় সেনার নামেই মায়ের কাছে পুজো দিয়েছেন তাঁরা। সত্যজিৎ দে বললেন, আমি কার্গিল যুদ্ধে ছিলাম। আর একটু হলেই মৃত্যু হতে পারত। যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সফল প্রত্যাঘাতের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনীকে স্যালুট জানাই। অবসরপ্রাপ্ত এক সেনাকর্মীর স্ত্রী অর্পিতা সরকার বলেন, ভারতের তিন বাহিনীর মঙ্গল, সুরক্ষা আর সুস্বাস্থ্যের জন্য আমরা পুজো দিয়েছি। অপারেশন সিন্দুর অভিযানে সোফিয়া কুরেশি ও ব্যোমিকা সিংয়ের ভূমিকায় আমরা গর্বিত।
আরেক অবসরপ্রাপ্ত সেনা জওয়ান বিশ্বনাথ সিনহার কথায়, আমি ৭১-এর লড়াইয়ে সামনে ছিলাম। যে কোনও যুদ্ধের সময় আমাদের কাছে দেশ ছাড়া কিছু থাকে না। মাথায় থাকে না বাড়িতে মা, বাবা, ভাই, বোন পরিবার আছে। অপারেশন সিন্দুরে অংশ নেওয়া সেনাদের ক্ষেত্রেও তাই। শত্রু সামনে থাকলে নিকেশ করতে হবে, ব্যস। তাঁদের সুরক্ষা ও সুস্বাস্থ্যের জন্যই এদিন পুজো দিলাম। নিজস্ব চিত্র