Bartaman Logo
২০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জলস্ফীতিতে বানভাসির আশঙ্কায় তোর্সা পাড়ের বাসিন্দারা, পুরসভার প্রস্তুতি শুরু

আলিপুরদুয়ারে তোর্সা নদীর জল বৃদ্ধি, বানভাসির আতঙ্ক। পুরসভা প্রস্তুতি নিচ্ছে। কী বলছেন স্থানীয় নেতারা? বিস্তারিত পড়ুন।

জলস্ফীতিতে বানভাসির আশঙ্কায় তোর্সা পাড়ের বাসিন্দারা, পুরসভার প্রস্তুতি শুরু
  • ২০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: লাগাতার বৃষ্টিতে আলিপুরদুয়ারে তোর্সা নদীতে জল বেড়েছে। গত বছরের ৫ অক্টোবর বাঁধ ভেঙে তোর্সার জলে প্লাবিত হয়েছিল কালচিনির সুভাষিণী চা বাগান। ডলোমাইট পলিতে চাপা পড়ে গিয়েছিল শতাধিক শ্রমিক কোয়ার্টার। লাগাতার বৃষ্টিতে জল বেড়ে যাওয়ায় তোর্সার সেই ভাঙা বাঁধ দিয়ে ফের বাগানে জল ঢোকার উপক্রম দেখা দেওয়ায় আতঙ্কিত শ্রমিকরা। 

Advertisement

চা মালিকদের সংগঠন সূত্রে খবর, দুর্বল বাঁধের কারণে লাগাতার বৃষ্টির জেরে এবার পানা, বাসরা নদীর জলে প্লাবিত হতে পারে কালচিনির সেন্ট্রাল ডুয়ার্স ও মেচপাড়া চা বাগান। দুর্বল বাঁধের জেরে একইভাবে মুজনাই, রায়ডাক নদীর আগ্রাসনে ডুবতে পারে মাদারিহাটের মুজনাই ও কুমারগ্রামের রায়ডাক চা বাগানও। 
এদিকে, বৃহস্পতিবার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারপার্সন পদত্যাগ করায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে আলিপুরদুয়ার পুরসভা। ফলে লাগাতার বৃষ্টিতে যেকোনো সময় শহর জলমগ্ন হয়ে পড়লে কী হবে, তা নিয়ে উদ্বেগে নাগরিকরা। যদিও পুর প্রশাসন জানিয়েছে, শহর এলাকা যাতে জলমগ্ন না হয় তারজন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার কাজ চলছে। সেচদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, তোর্সা ছাড়া জেলার আর কোনো নদীতে তেমনভাবে জল বাড়েনি। তবে লাগাতার বৃষ্টিতে শুক্রবার সকালে তোর্সার জল ১১৫.৬০ মিটারে পৌঁছে যায়। তোর্সার জল ১১৭ মিটারে উঠে গেলেই সেচদপ্তর সংকেত জারি করতে পারে। গত বছরে তোর্সার ভাঙা বাঁধের অংশ দিয়ে সুভাষিণী বাগানে জল ঢোকার উপক্রম হতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন শ্রমিকরা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বাগান ম্যানেজার শীর্ষেন্দু বিশ্বাস এদিন সকালেই স্থানীয় বিধায়ক রাজ্যের স্বরাষ্ট্র, পার্বত্য বিষয়ক, সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বিশাল লামাকে হোয়াটসআপে মেসেজ করেন। শীর্ষেন্দুবাবু বলেন, শ্রমিকদের কথা ভেবে মন্ত্রীকে বাঁধ রক্ষার ব্যাপারে মেসেজ পাঠিয়েছি। মন্ত্রী বিশাল লামা বলেন, তোর্সার ভাঙা বাঁধের কাজ করতে ইতিমধ্যেই ডিপিআর তৈরি করে সেচদপ্তরে পাঠিয়েছি। বাজেট অধিবেশন শেষ হলেই কাজ শুরু হবে। 
পুর প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, শহর যাতে জলমগ্ন না হয় তারজন্য নিয়মিত নিকাশি নালা পরিষ্কারের কাজ চলছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম শুকনো খাবার, নৌকা, ত্রিপল ও জমা জল বের করে দিতে পাম্প প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ