Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঝকঝকে রাস্তা থাকলেও পথবাতি নেই, মাজদিয়ায় আতঙ্কে বাসিন্দারা

পথশ্রী-রাস্তাশ্রী প্রকল্পে মিলেছে ঝকঝকে রাস্তা। কিন্তু সন্ধ্যে নামলেই যে সেই রাস্তাই ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে

ঝকঝকে রাস্তা থাকলেও পথবাতি নেই, মাজদিয়ায় আতঙ্কে বাসিন্দারা
  • ১১ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: পথশ্রী-রাস্তাশ্রী প্রকল্পে মিলেছে ঝকঝকে রাস্তা। কিন্তু সন্ধ্যে নামলেই যে সেই রাস্তাই ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। নদীয়ার মাজদিয়া গ্রামের সাঁকোর ধার থেকে চারা বটতলা পর্যন্ত অলোকা বাঁধের উপর দিয়ে ঢালাই রাস্তা তৈরির কাজ শেষ। মাজদিয়া-পানশিলা পঞ্চায়েতের প্রায় দু’শো পরিবার এতদিন এই অলোকা বাঁধের সাঁকোর ধার সংলগ্ন মাটির এবরো-খেবরো রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করত। এবার বাসিন্দাদের দাবি ওই রাস্তায় পথবাতি চাই। আসলে রাতে গোটা রাস্তায় দু-তিনটের বেশি আলো জ্বলে না। ফলে প্রায় অন্ধকারে স্থানীয় মানুষের যাতায়াতে ভীষণ সমস্যা হচ্ছে। 

Advertisement

নবদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে পথশ্রী প্রকল্পে ৬০০ মিটার ঢালাই রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। এর জন্যে খরচা হয়েছে ৪৯ লক্ষ টাকা। এই মাটির রাস্তাটি এতদিন উঁচু নিচু অসমান ছিল। প্রতিবছর বর্ষায় জল কাদায় সমস্যায় পড়তে হত স্থানীয়দের। তবে বর্তমানে রাস্তার কাজ শেষ হয়েছে। তাই এখন ওই রাস্তা দিয়ে এলাকার মানুষ সহজেই স্বরূপগঞ্জ পঞ্চায়েতের ট্যাংরা গ্রামেও চলে যাচ্ছেন। কিন্তু  যথেচ্ছ আলোর ব্যবস্থা নেই। একাদশ শ্রেণির ছাত্রী রূপসা ঘোষ, অষ্টম শ্রেণির দুষ্টু ঘোষ ও শুভ বিশ্বাসরা বলছে সন্ধ্যার পর প্রাইভেট টিউশন পড়তে যেতে হয় আমাদের। রাতে অন্ধকারে ওই রাস্তা দিয়ে ফিরতে খুবই সমস্যা পড়তে হয়। 
মাজদিয়া সাঁকোর ধারে পূর্বপাড়ার বাসিন্দা উত্তম ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পথশ্রী প্রকল্পে এই  ঢালাই রাস্তা হয়েছে। আমরা দিদির কাছে কৃতজ্ঞ। কিন্তু এখন আলোর ব্যবস্থা করে দিলেই আমাদের আর কোনো দাবি নেই। মাজদিয়া পূর্বপাড়ার ৭২ বছরের বৃদ্ধা ঊষা বিশ্বাস বলেন, এই রাস্তা একদম শুনশান থাকে। জনবসতিও কম। রাস্তার  পাশে বিরাট অংশ জুড়ে বাঁশ বাগান সন্ধ্যের পরে যেন ভয়ংকর আকার নেয়। বাড়ির ছেলে, মেয়েরা বা আমরা যখন সন্ধ্যার পরে ওই রাস্তা দিয়ে বাড়ি ফিরি খুবই ভয় লাগে। স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যকে বারবার পথবাতির জন্য বলেছি। নবদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তপন মণ্ডল বলেন, স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি মতো পঞ্চায়েত সমিতির তরফে দু’টি সোলার লাইট লাগানো হয়েছে। ইতিমধ্যে পঞ্চায়েত সমিতি থেকে প্রায় সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার পনেরোটি পথবাতির অনুমোদন মিলেছে। আগামী চার মাসের মধ্যে রাস্তায় পথবাতিগুলি লাগানো হবে। -নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ