নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিগত বছরগুলিতে মূল্যবৃদ্ধির হার আকাশ ছুঁয়েছে। অন্যান্য সামগ্রীর মতোই পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ফ্ল্যাট ও বাড়ি তৈরি অথবা কেনার খরচ। একইভাবে উচ্চশিক্ষার ব্যয়ও বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। কিন্তু ব্যাংক থেকে গৃহঋণ ও শিক্ষা ঋণের সর্বোচ্চ সীমা বাড়ছে না। এব্যাপারে এসবিআই রিসার্চ তাদের রিপোর্টে রিজার্ভ ব্যাংককে বলেছে, এবার এই ঋণের ঊর্ধ্বসীমা বাড়ানোর সময় এসেছে। জানা যাচ্ছে, এই রিপোর্ট নিয়ে নীতি নির্ধারণ কমিটির বৈঠকে আলোচনা হবে। সম্ভবত ইতিবাচক দিকেই যাবে সিদ্ধান্ত। অর্থাৎ গৃহঋণ ও শিক্ষা ঋণের সর্বোচ্চ সীমা বাড়তে চলেছে। ৫০ লক্ষ টাকা থেকে গৃহঋণের সর্বোচ্চ সীমা যাবে ১ কোটি টাকায়। আর ২৫ লক্ষ টাকা থেকে শিক্ষা ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পৌঁছবে ৫০ লক্ষ টাকায়।
যেহেতু বিগত ২ বছর ধরে ডলার ও ইউরোর তুলনায় টাকার মূল্যের পতন হয়েছে অনেক বেশি, তাই বিদেশে শিক্ষার ব্যয়ও বহুগুণ বেড়েছে। দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির টিউশন ফি আকাশছোঁয়া। এই কারণেই ম্যানেজমেন্ট অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং ডাক্তারি শিক্ষা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। রিজার্ভ ব্যাংক গত বছরই ঋণ নিয়ে কড়াকড়ি চালু করেছিল। কিন্তু এসবিআই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ওই কঠোরতায় সবথেকে বেশি সংকটে পড়েছে প্রায়োরিটি সেক্টর। অর্থাৎ গৃহঋণ ও শিক্ষাঋণ। যার সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষ জড়িত। এই অংশই সবথেকে বেশি ঋণ গ্রহণ করে। ব্যাংকের ব্যবসাও মূলত নির্ভর করে এই অংশটির উপর। তাই প্রথমত ওই কঠোরতা কিছুটা কমানো হোক এবং দ্বিতীয়ত ঋণের শর্তাবলীর বদল হোক। যাতে ব্যাংকেরও আর্থিক সুরাহা হয় এবং এই অংশটিও কাঙ্ক্ষিত লোন পায়। সম্ভবত এই পথেই হাঁটবে রিজার্ভ ব্যাংক।