নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: রাস্তার উপর একাধিক ম্যানহোলের চারপাশে গভীর গর্ত। উঁচু হয়ে গিয়েছে ঢাকনা। সেই ‘মারণফাঁদে’ পড়ে অনেকে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে এবং জল জমলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। ‘বর্তমান’-এ এই খবর প্রকাশ হয়েছিল। অবশেষে ওই ধরনের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় গভীর গর্তগুলি সংস্কারের কাজ শুরু করল বিধাননগর পুরসভা। অস্থায়ীভাবে গর্তের চারপাশে ইট, বালি এবং মাটি দিয়ে সোলিং করা হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন রাস্তায় কাজ চলছে। পরবর্তী সময়ে পিচ দিয়ে সংস্কার করা হবে।
রাস্তার উপর অসংখ্য ম্যানহোল রয়েছে। বেশিরভাগ জায়গায় ম্যানহোলের ঢাকনা রাস্তার সঙ্গে মেলানো হয়েছে। কিন্তু, একাধিক জায়গায় ম্যানহোলের চারপাশে রাস্তায় গভীর গর্ত হয়ে গিয়েছে। এখন বর্ষাকাল। বৃষ্টি হলে সেই গর্তে জল জমছে। ফলে, গর্ত বোঝা যাচ্ছে না। তাতে বিপদ আরও বাড়ছে। দিনে ওই গর্ত চোখে পড়লেও সন্ধ্যার পর বোঝাই যায় না। ফলে, সেই সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বাড়ে। চারচাকার গাড়ির ক্ষতি হলেও বিশেষ করে দুর্ভোগে পড়ছেন বাইক চালকরা।
ই এম বাইপাসে কাদাপাড়া মোড় থেকে সল্টলেকের দিকে ঢুকলে পরপর দু’-তিনটি এই ধরনের বিপজ্জনক ম্যানহোল ছিল। যেগুলির চারপাশে বড়ো বড়ো গর্ত। সেখান থেকে কিছুটা এগিয়ে স্টেডিয়ামের ১ নম্বর গেট। ওই ম্যানহোলগুলির চারপাশে ইট, বালি দিয়ে সোলিং করা হয়েছে। ফলে, যে গর্ত ছিল, এখন তা নেই। অন্যান্য জায়গাতেও সংস্কার করা হয়েছে। পুরসভার এই উদ্যোগে খুশি শহরের বাসিন্দারা। তাঁদের কথায়, সল্টলেকে দীর্ঘদিন ধরেই রাস্তার অবস্থা বেহাল ছিল। পালাবদলের পর বিধাননগরের বিধায়ক তথা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায় সল্টলেকের রাস্তা সংস্কারের ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছেন। ম্যানহোলের পাশের গর্ত সংস্কারের সঙ্গে খোলা গালিপিটগুলি নিয়েও যাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, সেই দাবি তুলেছেন বাসিন্দারা। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, খতিয়ে দেখে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।