নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: দীর্ঘদিন ধরেই দাবি ছিল, জলপাইগুড়ি শহরে জল জমার সমস্যা সমাধানে সংস্কার করা হোক ধরধরা নদী ও গদাধর ক্যানেল। অবশেষে সেই কাজ শুরু হল। শনিবার জলপাইগুড়ির পান্ডাপাড়া এলাকায় পে লোডার নামিয়ে গদাধর ক্যানেল সংস্কারের কাজ হয়। এদিন সকালে ওই কাজ পরিদর্শনে যান সেচদপ্তরের উত্তরপূর্বের চিফ ইঞ্জিনিয়ার কৃষ্ণেন্দু ভৌমিক। ছিলেন জলপাইগুড়ি সদরের বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী। সাতদিনের মধ্যে গদাধর ক্যানেল সংস্কারের কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন কৃষ্ণেন্দুবাবু। ধরধরা নদীটিও সংস্কার করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, জলপাইগুড়ি শহরের জল ধরাধরা নদী ও গদাধর ক্যানেল দিয়ে করলা নদীতে পড়ে। বর্ষার আগেই যাতে এগুলির সংস্কার করা হয়, আগের সরকারের সেচমন্ত্রী যখন জলপাইগুড়িতে এসেছিলেন, তাঁর সঙ্গে দেখা করে এই দাবি জানিয়েছিলাম। যদি সঠিকভাবে ধরধরা নদী ও গদাধর ক্যানেল সংস্কার হয়, তাহলে জলপাইগুড়ি শহরে জল জমার সমস্যা থাকবে না।
অনেকের তোপ, এবার বর্ষার আগে শহরের সমস্ত নিকাশি নালা ঠিকমতো সাফাই হয়নি। ফলে বৃষ্টির জল জমছে রাস্তায়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে পুরপ্রধানের দাবি, শহরের নিকাশি নালা সাফাইয়ের কাজ নিয়মিত চলছে।
যদিও জলপাইগুড়ির বিধায়ক অনন্তদেব অধিকারী এদিন বলেন, শহরের নিকাশি ব্যবস্থা ভালো নয়। আগের সরকার এদিকে কোনো নজর দেয়নি। বৃষ্টি হলেই শহরে জল জমে যায়। আমরা উন্নত নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তুলব। গদাধর ক্যানেলে দীর্ঘদিন ধরে আবর্জনা জমে ছিল। এদিন থেকে সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে।
সেচদপ্তর সূত্রে খবর, প্রথম পর্যায়ে গদাধর ক্যানেলের সম্পূর্ণ অংশ সংস্কার হচ্ছে না। সাত কিমি দীর্ঘ ক্যানেলের দেড় কিমি অংশে বর্তমানে সংস্কার করা হবে। • নিজস্ব চিত্র।