নয়াদিল্লি: আজ সোমবার নবগঠিত সোমনাথ মন্দিরের ৭৫ বর্ষপূর্তি উদযাপনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে বিশেষ বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।
নয়াদিল্লি: আজ সোমবার নবগঠিত সোমনাথ মন্দিরের ৭৫ বর্ষপূর্তি উদযাপনে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তার আগে বিশেষ বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল।
এক নিবন্ধে শেখাওয়াত বলেছেন, ‘দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে প্রথম হিসাবে বিবেচিত এই মন্দিরের প্রাচীর বহুবার হামলাকারীদের আঘাত সহ্য করেছে। তারপরে আবার জেগে উঠে পূজার ঢাক বাজিয়েছে।’ সংস্কৃতি মন্ত্রীর বার্তা, ‘প্রভাস পাটনে সোমনাথ জ্যোতির্লিঙ্গ আধ্যাত্মিক দৃঢ়তা, সভ্যতা এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যর ধারাবাহিকতার প্রতীক হয়ে উঠেছে। সোমনাথ স্বাভিমান পর্ব অনুষ্ঠিত হয় ২০২৬ সালের ৮ থেকে ১১ জানুয়ারি। এই উদ্যোগ ভারতীয় সভ্যতার যাত্রাপথে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আমাদের মনে করায়। প্রথমটি ১০২৬ সালে সোমনাথ মন্দিরে হামলার এক হাজার বছর পূর্তি। দ্বিতীয়টি স্বাধীনতার পর ১৯৫১ সালে পুনর্নির্মিত মন্দিরের পঁচাত্তর বছর। ১১ মে বৃহৎ এক জাতীয় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই উৎসব শেষ হবে।’ তিনি আরও লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সোমনাথ মন্দির পুনরুজ্জীবনের নতুন এক অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে।’
অন্যদিকে, ‘সোমনাথ থেকে সিন্দুর: এক পুনরুত্থিত ভারতের চেতনা’ প্রবন্ধে গোয়েল লিখেছেন, ‘৭৫ বছর আগে মহিমান্বিত সোমনাথ মন্দিরের পুনর্গঠন এবং প্রাণপ্রতিষ্ঠা ছিল ভারতীয় সভ্যতার গৌরবের পুনরুত্থানের এক নির্ণায়ক মুহূর্ত।’ তিনি আরও জানান, এই ঘটনা ভারতের দৃঢ়তা ও অদম্য সংকল্পকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছিল। এটাই প্রধানমন্ত্রী মোদির ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ মিশনের মূল লক্ষ্য। তিনি লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদি যেমন বলেছেন, সোমনাথকে ধ্বংস করার জন্য যেমন বারবার চেষ্টা ও ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল, তেমনই বিদেশি আক্রমণকারীরা বহুকাল ধরে ভারতকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল। তবুও এই পবিত্র উপাসনালয় বা দেশ— কোনোটিই ধ্বংস হয়নি।’ তিনি আরও বলেন, ‘সোমনাথের মতোই মোদির আমলে ভারতও আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য যখন সারা বিশ্বের নজর কাড়ছে, তখন ধর্মান্ধরা দেশের শান্তি বিঘ্নিত করতে সন্ত্রাসবাদ ও অনুপ্রবেশকে হাতিয়ার করছে। কিন্তু অপারেশন সিন্দুরের মাধ্যমে মোদির নেতৃত্বাধীন নতুন ভারত এই অপরাধের মদতদাতাদের উপযুক্ত শিক্ষা দিয়েছে।