Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

রেড্ডির সমালোচনা: শাহের বক্তব্যকে সমর্থন করলেন ৫০ প্রাক্তন বিচারপতি, বিরোধিতায় চিঠি ১৮ বিচারপতির

বিচারপতি বনাম বিচারপতি। ১৮ বনাম ৫০। উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী মহাজোট ‘ইন্ডিয়া’র প্রার্থী তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডিকে নিয়ে তরজা।

রেড্ডির সমালোচনা: শাহের বক্তব্যকে সমর্থন করলেন ৫০ প্রাক্তন বিচারপতি, বিরোধিতায় চিঠি ১৮ বিচারপতির
  • ২৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: বিচারপতি বনাম বিচারপতি। ১৮ বনাম ৫০। উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী মহাজোট ‘ইন্ডিয়া’র প্রার্থী তথা সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি বি সুদর্শন রেড্ডিকে নিয়ে তরজা। সম্প্রতি মাওবাদী বিরোধী ‘সালওয়া জুড়ুম’ সংক্রান্ত এক মামলায় রেড্ডির দেওয়া রায় নিয়ে আক্রমণ শানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর সেই বক্তব্যের বিরোধিতা করে চিঠি দিয়েছিলেন ১৮ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। এবার সেই চিঠির বিরোধিতা করে মঙ্গলবার পাল্টা চিঠি দিলেন ৫০ জন প্রাক্তন বিচারপতি। তাঁদের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন দুই প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ ও পি সতশিবমও রয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজ্যের হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরাও শাহের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, ওই ১৮ জন প্রাক্তন বিচারপতির বক্তব্য পরিচিত ছক। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নাম করে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব ঢেকে রাখার চেষ্টা।  মাওবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য ছত্তিশগড়ে জনজাতিদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। যাকে বলা হতো ‘সালওয়া জুড়ুম’। ২০১১ সালে এই ব্যবস্থা বন্ধ করার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। ওই বেঞ্চের সদস্য ছিলেন সুদর্শন রেড্ডি। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে গত ২২ আগস্ট কেরলের একটি সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, রেড্ডি মাওবাদীদের সাহায্য করেছিলেন। ওই রায় না দেওয়া হলে ২০২০ সালেই দেশ থেকে মাওবাদ মুছে ফেলা যেত। সোমবার ১৮ জন প্রাক্তন বিচারপতি এক বিবৃতি জারি করে জানান, সালওয়া জুড়ুম নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তার ভুল ব্যাখ্যা করছেন শাহ। ওই রায় কোনওমতেই মাওবাদকে সমর্থন করে না। এভাবে মন্তব্য করা হলে, তা বিচার ব্যবস্থার উপর প্রভাব ফেলে।  এবার তার পাল্টা বিরোধিতা করে ৫০ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি দাবি করেছেন, নিজের ইচ্ছায় একজন প্রাক্তন বিচারপতি উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হতে চেয়েছেন। এর মাধ্যমে তিনি বিরোধীদের হয়ে রাজনীতির আঙিনায় পা রেখেছেন। তাই অন্য প্রার্থীদের মতোই তাঁকে রাজনীতির লড়াই করতে হবে। তাঁদের বক্তব্য, রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার জন্য বিচার বিভাগের স্বাধীনতার কথা বলা উচিত নয়। কোনও রাজনৈতিক প্রার্থীর সমালোচনা করলে, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হুমকির মুখে পড়ে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ