


লখনউ: পর পর তিন ম্যাচে হার। ক্রিকেটারদের মনোবল একেবারে তলানিতে। বুধবার ঘরের মাঠে রাজস্থান রয়্যালসকে হারাতে না পারলে পয়েন্ট তালিকায় আরও পিছবে লখনউ সুপার জায়ান্টস। তাই জেতার জন্য মরিয়া ঋষভ পন্থরা। তবে রাজস্থানও খুব একটা স্বস্তিতে নেই। তাদের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। আচমকা ছন্দপতনে শেষ দু’টি ম্যাচে হেরে বেশ চাপে রিয়ান পরাগরা। তাঁরাও জয়ের সরণিতে ফেরার পথ খুঁজছে।
লখনউয়ের ব্যাটিং কাগজে-কলমে খুবই শক্তিশালী। কিন্তু সমস্যা হল ওপেনিং জুটি সেভাবে জমাট বাঁধছে না। মিচেল মার্শ ও আইডেন মার্করাম নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। তাই মার্করামকে সরিয়ে গত ম্যাচে মার্শের সঙ্গে শুরু করেছিলেন আয়ূষ বাদোনি। তাতেও লাভ কিছু হয়নি। ক্যাপ্টেন ঋষভের ব্যাটেও ধারাবাহিকতার বড় অভাব। নিকোলাস পুরান ফর্ম হাতড়াচ্ছেন। মার্করাম মিডল অর্ডারে নেমে ভালোই লড়েছিলেন। সেই অঙ্কে তাঁকে ফের ওপেনিংয়ে তুলে আনা হতে পারে। লখনউয়ের বোলিং কিছুটা বিবর্ণ দেখাচ্ছে সামি ফর্ম হারানোয়। প্রিন্স যাদব, আভেশ খানরা কাজ চালিয়ে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট।
অ্যনদিকে, গত ম্যাচে পচা শামুকে পা কেটেছে রাজস্থান রয়্যালসের। কেকেআরের কাছে হারের ধাক্কা কাটিয়ে সেরা পারফরম্যান্স মেলে ধরার চ্যালেঞ্জ রিয়ান পরাগদের সামনে। ব্যাটিংয়ে ভরসা বলতে দুই ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ও বৈভব সূর্যবংশী। শুরুতে তাঁরা ঝড় তুলতে পারলে ভালো, না হলে পরের দিকের ব্যাটারদের উপর চাপ বাড়বে। কারণ, ধ্রুব জুরেল বাদে আর কেউ ছন্দে নেই। রিয়ান পরাগ, শিমরন হেটমায়ার এখনও ফর্ম হাতড়ে বেড়াচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দুই অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজা ও ডোনোভান ফেরেরা রাজস্থানের বড় ভরসা। বোলিংয়ে পেসার জোফ্রা আর্চারের সঙ্গী হবেন নানদ্রে বার্গার। স্পিনার হিসেবে রবি বিষ্ণোইয়ের সঙ্গী হবেন যশ রাজ ও ক্যাপ্টেন পরাগ। বল টার্ন করলে কিন্তু বিষ্ণোইকে খেলা কঠিন হবে।