


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শিয়ালদহ থেকে রানাঘাট-গেদের মধ্যে ট্রেন পরিষেবাকে বাড়তি উচ্চতায় নিয়ে যেতে একগুচ্ছ নয়া পরিষেবা চালু করছে রেল। আগামী সোমবার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে এই ব্যবস্থা কার্যকর হবে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, গেদে-রানাঘাট শাখায় চালু হচ্ছে তিনটি নতুন স্পেশাল ট্রেন। একইসঙ্গে শিয়ালদহ-গেদে এবং গেদে-মাঝেরহাট শাখার মধ্যে একগুচ্ছ নয়া পরিষেবা যুক্ত হচ্ছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে পুরানো ট্রেনের যাত্রাপথ সম্প্রসারিত করা হয়েছে। কয়েকটি ক্ষেত্রে সময়ের হেরফের করা হয়েছে। সব মিলিয়ে সংশ্লিষ্ট রুটে যাত্রীদের জন্য ট্রেন সফর আগের তুলনায় আরও মসৃণ করে তুলতে সক্রিয় পূর্ব রেল।
নয়া পরিষেবার আওতায় ৩১৭৬১ আপ রানাঘাট-গেদে স্পেশাল রানাঘাট থেকে সকাল ৭টা ৫ মিনিটে ছেড়ে সকাল ৭টা ৫৭ মিনিটে গেদে পৌঁছাবে। ৩১৭৬২ ডাউন গেদে-রানাঘাট স্পেশাল গেদে থেকে দুপুর ১টায় ছেড়ে দুপুর ১টা ৫৫ মিনিটে রানাঘাটে আসবে। ৩১৭৬৪ ডাউন গেদে-রানাঘাট স্পেশাল গেদে থেকে রাত ৮টা ২৫ মিনিটে ছেড়ে রাত ৯টা ২১ মিনিটে রানাঘাট ঢুকবে।
এছাড়াও আগামী ১৬ মার্চ থেকে ৩১২২৭ শিয়ালদহ-বারাকপুর লোকাল ট্রেনটি গেদে পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। ট্রেনটি ৩১৯৩১ আপ শিয়ালদহ-গেদে স্পেশাল হিসাবে শিয়ালদহ থেকে সকাল ৯টা ২৮ মিনিটে যাত্রা করে বেলা ১২টা ৭ মিনিটে গেদে পৌঁছাবে। একইভাবে ৩১২২৬ ট্রেনটি এখন থেকে ৩১৯৩০ ডাউন গেদে-শিয়ালদহ স্পেশাল হিসাবে গেদে থেকে সকাল ৮টা ২৬ মিনিটে ছেড়ে সকাল ১০টা ৫৭ মিনিটে শিয়ালদহে ঢুকবে। ৩১৪৩১ আপ শিয়ালদহ-নৈহাটি লোকালের সময় বদল করে বিকেল ৪টে ৫০ মিনিট করা হয়েছে। এই পরিষেবাকে গেদে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। ৩১৯৩৩ আপ শিয়ালদহ-গেদে স্পেশাল হিসাবে এটি চলবে। এই লোকালটি শিয়ালদহ থেকে বিকেল ৪টে ৫০ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৭টা ৩৮ মিনিটে গেদে ঢুকবে।
অন্যদিকে, গেদে-রানাঘাট এবং নৈহাটি-মাঝেরহাট ট্রেন পরিষেবাকে একত্র করে একটি নতুন নিরবচ্ছিন্ন ট্রেন পরিষেবা চালু করা হচ্ছে। ৩০১৪৪ ডাউন গেদে-মাঝেরহাট স্পেশাল গেদে থেকে বিকেল সওয়া চারটেয় ছেড়ে সন্ধ্যা ৭টা ২৮ মিনিটে মাঝেরহাট স্টেশনে যাত্রীদের নামাবে। ৩১৩৩৩ আপ শিয়ালদহ-কল্যাণী সীমান্ত লোকাল এখন শিয়ালদহ থেকে বিকাল সাড়ে চারটেয় যাত্রা শুরু করবে। আগে ট্রেনটি বিকেল ৪টে ৫০ মিনিটে ছাড়ত। যাতে সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়ে ট্রেন চলাচল আরও মসৃণ করা যায়, তাই এই ব্যবস্থা। এ প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের এক কর্তা বলেন, কলকাতার সঙ্গে নদীয়ার রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করতেই এই পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমরা কয়েকদিন পরিবর্তিত সূচি ও ব্যবস্থাপনায় ট্রেন চালিয়ে পরিষেবার সার্বিক মান বৃদ্ধির বিষয়টি নজরে রাখা হবে। যাত্রীদের মতামত নিয়ে পরবর্তী সময়ে পাকাপাকি সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।