নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ : বৈধ প্ল্যান ছাড়া শহরের এমজি রোডের ধারে উকিলপাড়ায় একটি বহুতলের কাজ বন্ধ করে দিল রায়গঞ্জ পুর কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি পুরসভার চারজন আধিকারিক নির্মীয়মাণ বহুতল পরিদর্শনে যান। যাবতীয় নথিপত্র দেখাতে না পারায় কাজ বন্ধ করে পুরসভা।
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ : বৈধ প্ল্যান ছাড়া শহরের এমজি রোডের ধারে উকিলপাড়ায় একটি বহুতলের কাজ বন্ধ করে দিল রায়গঞ্জ পুর কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি পুরসভার চারজন আধিকারিক নির্মীয়মাণ বহুতল পরিদর্শনে যান। যাবতীয় নথিপত্র দেখাতে না পারায় কাজ বন্ধ করে পুরসভা।
বিরোধীদের অনুমান, ওই নির্মীয়মাণ বহুতলের নির্মাণকারী সংস্থার সঙ্গে যুগ্মভাবে জড়িত রায়গঞ্জের এক প্রভাবশালী নেতা। তাঁর সঙ্গে সম্প্রতি বনিবনা না হওয়ার জন্যই পুরসভা আচমকা অতিসক্রিয় হয়েছে।
পুরসভার লাইসেন্স ইন্সপেক্টর ইনচার্জ শম্ভু ঘোষ বলেন, নির্মাণকারী সংস্থার কাছে অ্যাপ্রুভড বিল্ডিং প্ল্যান এবং হোল্ডিংয়ের কাগজপত্র দেখতে চাই। কিন্তু দেখাতে পারেনি বলে নিয়ম মেনে কাজ বন্ধ করার জন্য বলা হয়েছে।
পুর প্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস বলেন, নিয়ম না মেনে বহুতল বিল্ডিং নির্মাণ হচ্ছে বলে জানতে পারি। স্থানীয় বাসিন্দারাও নির্মাণ কাজের বিকট শব্দে অসুবিধায় পড়ছেন। তাই ঘটনাস্থলে যান পুর আধিকারিকদের চার সদস্য। নির্মাণ সংস্থা বৈধ কাগজ দেখাতে পারেনি। শহরে নিয়মভঙ্গ করে বহুতল হতে দেব না।
এদিকে পুরসভার কড়া পদক্ষেপ প্রসঙ্গে বিরোধীরা কটাক্ষ করতে ছাড়ছে না। এ প্রসঙ্গে জেলা কংগ্রেসের সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, অবৈধ বহুতল রায়গঞ্জ শহরের বিভিন্ন জায়গায়। নির্দিষ্টভাবে ওই বহুতলে হানার পিছনে তৃণমূলের দ্বন্দ্ব থাকতে পারে। বীরনগরে একটি পুকুর ভরাট নিয়ে হানা দিয়েছিলেন পুরপ্রশাসক। যার অন্যতম মালিকানা ছিল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর। সেই কাজ বন্ধ হয়েছে। এক্ষেত্রে যখন কাজ শুরু হয়েছিল, তখন পুরসভা কেন হানা দেয়নি সেটা এখন স্পষ্ট হচ্ছে।
সিপিএমের রায়গঞ্জ শহর এরিয়া কমিটির সম্পাদক তীর্থ দাস বলেন, পুর বোর্ড যে তৃণমূল নেতারা চালাচ্ছেন, তাঁদের বিরোধীরা হয়তো কেউ ওই নির্মাণ কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাই পুরসভা এত তৎপর।
এপ্রসঙ্গে জানতে কৃষ্ণ কল্যাণীকে ফোন ও মেসেজ করলেও উত্তর দেননি।