


দোহা: মঙ্গলবার কাতারের রাজধানী দোহায় হামাসের রাজনৈতিক সদরদপ্তরে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল। তাতে মৃত্যু হয়েছে ছ’জনের। বুধবার এই নিয়েই কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী। এই হামলাকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রান্সের’ আখ্যা দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে সাফ জানিয়েছেন, কাতারেরও পালটা জবাব দেওয়ার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে। এদিকে, ইজরায়েলের এই হামলার দায় কার্যত এড়িয়ে গিয়েছেন নেতানিয়াহুর ‘বন্ধু’ ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, তাঁকে জানিয়ে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। তবে বিষয়টাকে দুঃখজনক বলেই দাবি করেছেন তিনি। পাশাপাশি, ইজরায়েলের এই হামলার নিন্দায় সরব হয়েছে ফ্রান্স, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, মিশর সহ একাধিক দেশ। ইজরায়েলের এই হামলার পর আন্তর্জাতিক মহলে দাবি উঠছিল, ট্রাম্পের মদতেই হামলা চালিয়েছেন নেতানিয়াহু। বুধবার বিষয়টা নিয়ে আমেরিকার অবস্থান স্পষ্ট করছেন ট্রাম্প।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবি মানতে নারাজ কাতার। ট্রাম্পের কথা সম্পূর্ণ মিথ্যে বলেই দাবি করেছেন কাতারের বিদেশমন্ত্রকের এক মুখপাত্র। এদিকে, দোহায় হামলার পর ইজরায়েল জানিয়েছিল, হামাসের প্রধান নেতাদের নিকেশ করতেই অভিযান। তাদের দাবি, শত্রুদের এভাবেই খুঁজে খুঁজে মারা হবে। তাই কাতারও চুপ করে বসে থাকবে না বলেই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের। বুধবার কাতারের প্রধানমন্ত্রীর কথায় সেই আশঙ্কা আরও স্পষ্ট হল। এমনটা সত্যি হলে অদূর ভবিষ্যতে আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে মধ্যএশিয়ার পরিস্থিতি, মনে করছেন তাঁরা।