ওয়াশিংটন, ৪ সেপ্টেম্বর: ফের ট্রাম্পের আরও একটি পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ বলল আমেরিকার আদালত। ইহুদিদের প্রতি বিদ্বেষের অভিযোগে ট্রাম্প প্রশাসন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা খাতে আর্থিক অনুদান বন্ধ করে দিয়েছিল। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের সেই পদক্ষেপকে ‘অবৈধ’ বলল ফেডেরাল আদালত। বিচারকের কাছে ধমক খেতেও হয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনকে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের অভিযোগ ছিল, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ইজরায়েল বিরোধী আন্দোলন চলছে। ইহুদি বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। সেই বিষয়কে থামাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। যদিও তা মানতে চায়নি হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষ। তারপরেই কড়া পদক্ষেপ নেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথমে ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তাঁর প্রশাসন। পরে আরও ৪৫ কোটি ডলারের অনুদান বন্ধ করা হয়।
এমনকী গবেষণা খাতেও আর্থিক অনুদান দেওয়া বন্ধ করে হোয়াইট হাউস। যেটি সঠিক সিদ্ধান্ত নয় বলেই জানিয়েছেন ফেডেরাল কোর্টের বিচারক। তাঁর মন্তব্য, এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপরে প্রভাব পড়বে। এই ধরনের অনুদান বন্ধের নির্দেশ বাতিল করুন। এমনকী বিশ্ববিদ্যালয়ের যুক্তিতে সহমত পোষণ করেছেন বিচারকও। হার্ভার্ড কর্তৃপক্ষের দাবি ছিল, ট্রাম্পের নির্দেশ না মানায় এই আর্থিক অনুদান ‘প্রতিশোধ’ নিতেই বন্ধ করা হয়। যা ‘অবৈধ’ বলে জানিয়েছেন বিচারক। গাজায়, ইজরায়েলি সেনার নির্মম অত্যাচার, প্যালেস্তিনীয়দের হত্যা এইসবের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছিলেন হার্ভার্ডের পড়ুয়ারা। গাজাকে দখলমুক্ত করতে ও প্যালেস্তিনীয়দের নির্মমভাবে হত্যা ও অত্যাচার বন্ধের প্রতিবাদে ক্যাম্পাসের বাইরে ও ভিতরেও বিক্ষোভ দেখাতেন পড়ুয়ারা। যা ভালোভাবে নেননি ট্রাম্প।



